সারাদেশ | The Daily Ittefaq

মদ চাওয়ায় যুবক খুন

মদ চাওয়ায় যুবক খুন
স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ১৭:২৭ মিঃ
মদ চাওয়ায় যুবক খুন
বগুড়া শহরে শুক্রবার রাতে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত যুবক শাকিল আহমেদ ওরফে বিক্লাস শাকিল (৩০)। তিনি শহরের লতিফপুরের শাহজালালের পুত্র। এ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে আহত বিশাল বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। মদ্যপান নিয়ে বাকবিতণ্ডার জের ধরে শাকিল প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয়েছেন বলে পুলিশ দাবি করেছে। 
 
পুলিশ বলছে, নিহত শাকিল তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছিলেন। এ সময় বিশাল (২৬) নামে শাকিলের আরেক সহযোগীও ছুরিকাঘাতের শিকার হন। 
 
বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, প্রাথমিক তদন্তে খুনের কারণ উদ্ঘাটন করতে পেরেছে পুলিশ। শাকিলের সহযোগীদের জিজ্ঞাসাবাদে নিশ্চিত হওয়া গেছে, শুক্রবার নিহত শাকিলের জন্মদিন ছিল। সন্ধ্যায় জন্মদিনের পার্টি দেন শাকিল। বন্ধুদের নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন। এরপর মদ্যপান করতে তাদের নিয়ে তিনটি মোটরসাইকেলে চকসুত্রাপুর সুইপার কলোনিতে যান। মদ কিনতে অন্যদের পাঠিয়ে একটি গলির মুখে তিনজন অপেক্ষা করতে থাকেন। এ সময় মদের দুটি বোতল নিয়ে যাচ্ছিলেন শাকিলের প্রতিপক্ষ গ্রুপের একজন সদস্য। শাকিল তার কাছে মদ চান। এ মদ তার গুরুর বলে জানান ওই যুবক। এ নিয়ে বিতর্ক হয়। পরে মদ বহনকারী তার দলের প্রধানের কাছে নালিশ করেন। এ সময় প্রধান তার লোকদের নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে শাকিল ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা ও ছুরিকাঘাত করেন।
 
পুলিশ সূত্র জানায়, পরে শফিক আলম নামের আরেক সহযোগী ছুরিকাহত শাকিল ও বিশালকে মোটরসাইকেলে তুলে রাত ১০টার দিকে সদর থানার সামনে এসে পড়ে যায়। পুলিশ আহত শাকিল ও বিশালকে তাৎক্ষণিক বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক শাকিলকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আজিজ মণ্ডল জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা শাকিলকে মৃত ঘোষণা করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
 
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, শাকিল পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। শহরের কলোনিবাজার এলাকায় চাঁদাবাজি-অস্ত্রবাজিসহ নানা অপরাধে যুক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র আইন, চাঁদাবাজি, মারামারিসহ সাতটি মামলা রয়েছে। কয়েক মাস আগে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গুলিবিদ্ধ হয়ে এক পা হারান তিনি। তবে এসব মামলায় জামিনে ছিলেন তিনি।
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩১
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৫
মাগরিব৫:৫৯
এশা৭:১২
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৪