সারাদেশ | The Daily Ittefaq

একটি ব্রিজ কমাতে পারে দুই উপজেলার ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

একটি ব্রিজ কমাতে পারে দুই উপজেলার ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
বদরগঞ্জ (রংপুর) সংবাদদাতা১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ১৫:২৩ মিঃ
একটি ব্রিজ কমাতে পারে দুই উপজেলার ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার দুই উপজেলার ১০ গ্রামের হাজারো মানুষের। বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। একটি ব্রিজই কমাতে পারে দুই উপজেলার ১০ গ্রামের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ।
 
ঘৃনই নদীর ওপর দেওয়া বাঁশের সাকোটির অবস্থান বদরগঞ্জ উপজেলা সদর হতে ১৫কি.মি. দক্ষিনে লোহানীপাড়া ইউপির ঘৃনই মালতোলা নামক স্থানে। নদীর ওপারে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়ন।
 
নবাবগঞ্জ উপজেলা সদরের দুরত্ব ও যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন ভাল না হওয়ায় বদরগঞ্জের সীমান্তঘেঁষা নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউপির পশ্চিমপাড়া, ডিঙ্গাপাড়া, বাদিঘৃনই, মধ্যটারিসহ বদরগঞ্জের মালতোলা, ঘৃনই, ঘুনুরঘাট, আমতলাসহ অনেক গ্রামের লোকজন এই বাঁশের সাকো দিয়ে যাতায়াত করে। 
 
দুই উপজেলার ১০ গ্রামের হাজারো মানুষের যাতায়াত এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে। অথচ এখানে একটি ব্রিজ নেই, এ নিয়ে তাদের ক্ষোভ আর কষ্টের অন্ত নেই। তাদের প্রাণের দাবি এখানে একটি ব্রিজ নির্মানের।
 
সরেজমিনে গত মঙ্গলবার (১১সেপ্টেম্বর) দেখা যায়, নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউপির পশ্চিমপাড়া গ্রামের মেহেরুল নামের এক যুবক তার কাঁধে বাইসাইকেল নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হচ্ছেন। 
 
কথা হয় মেহেরুলের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রতিনিয়ত কাজের জন্য তাদের বদরগঞ্জে আসতে হয়। কারণ, আমাদের ওপারের অসংখ্য মানুষের জমি এ পাড়ে রয়েছে। তাছাড়া আমাদের এখান হতে নবাবগঞ্জের দুরত্ব ও যোগাযোগ ভাল না হওয়ায় আমাদের এ অঞ্চলের মানুষ বদরগঞ্জেই বেশি যাতায়াত করে।
 
ঘৃনই মালতোলা (বদরগঞ্জ) গ্রামের বাসিন্দা সাহারা বেগম জানান, সাঁকোর পাশে তার বাড়ি। ওপারে (নবাবগঞ্জ) তাদের এ এলাকার মানুষের অনেক জমি রয়েছে। ধান কেটে সাঁকো দিয়ে আসতে প্রায় সময় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এখানে একটি ব্রিজ হবে এটাই আমাদের প্রাণের দাবি হলেও জনপ্রতিনিধিরা শুধু ভোটের সময় এসে ব্রিজটি নির্মানের আশ্বাস দিলেও ওই পর্যন্তই শেষ। ভোট হয়ে গেলে আমাদের আর কেউ খোঁজ রাখে না। 
 
বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান রাকিব হাসান ডলু শাহ্ জানান, বাঁশের সাঁকোটির স্থলে ব্রিজ হওয়া জরুরি। আমি ব্যক্তিগতভাবে পিআইও অফিসে ব্রিজটির জন্য আবেদন করি। মাপে বেশি হওয়ায় পিআইও অফিসের পক্ষে ব্রিজটি করা সম্ভব না। পরে এলজিইডিতে যোগাযোগ করেছি।
 
রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল হক চৌধুরি ডিউক জানান, নদীটির অবস্থান দুই উপজেলায় হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে ওই এলাকার এমপির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমি চেষ্টা করছি ব্রিজটি যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে হয়। 
 
ইত্তেফাক/নূহু
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩১
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৫
মাগরিব৫:৫৯
এশা৭:১২
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৪