কবিরহাটে নারী গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:০৫ | অনলাইন সংস্করণ

  নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কবিরহাট। ছবি: গুগল ম্যাপ থেকে

নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার ধাঁনসিড়ি ইউনিয়নের নবগ্রামের এক নারীকে (২৯) গণধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্ততার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ওই নারী থানায় এসে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে একজনের নাম উল্লেখ করে অপর তিনজনসহ মোট চার জনের বিরুদ্ধে মামলা  দায়ের করেন। 

মামলা দায়ের একদিনের মধ্যে রবিবার (২০ জানুয়ারি) পুলিশ চার আসামীকেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ওই এলাকার  এনামুল হকের ছেলে জাকির হোসেন (৪০), মৃত অজি উল্যার ছেলে রব হোসেন মান্না (২১), মোঃ ইসমাইলের ছেলে মোঃ সেলিম (২৫) ও মফিজুর রহমানের ছেলে হারুন অর রশিদ (৩০)।

কবিরহাট থানার ওসি মো: মির্জা হাসান জানান, 'শনিবার দুপর ১টার দিকে ওই নারী থানায় এসে অভিযোগ করে জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে স্বামীর অনুপস্থিতিতে সিঁধেল কেটে চার ব্যাক্তি তার ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ঘরে থাকা তার মা ও শিশু সন্তানদের জিম্মি করে রেখে তাকে  ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা'। 

জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী জানিয়েছেন ধর্ষকদের মধ্যে স্থানীয় মুদি দোকানি জাকির হোসেন ছাড়া অন্যদের চিনতে পারেননি তিনি। পরে তিনি বাদী হয়ে জাকির হোসেন ও  অপর তিনসহ মোট চার জনকে জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের এক ঘন্টার মধ্যে জাকির হোসেনকে এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে  তাকে জিজ্ঞাসাবাদে  সে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং অপর তিন জনের নাম বলে। তার  স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রবিবার দুপুর ১২টার দিকে মান্না, সেলিম ও হারুনকে গ্রেপ্তার করা  হয়। তাদেরকে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, 'শনিবার গ্রেপ্তারকৃত জাকির হোসেনকে শনিবার বিকালে জেলার ৪নং আমলী আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন না মজ্ঞুর  করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন। ওই নারীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য শনিবার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি  করা হয়েছে'।

আরও পড়ুন: জনগণের বিশ্বাস ও আস্থার মর্যাদা দেব: প্রধানমন্ত্রী

এদিকে হাসপাতালের আরএমও সৈয়দ মহি উদ্দিন আবদুল আজিম জানান, 'রবিবার একটি মেডিকেল বোর্ড ওই নারী ধর্ষনের শিকার হয়েছেন কিনা  তা পরীক্ষা নিরিক্ষা  করে। সোমবার এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট জমা দেয়া হবে'।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি