প্রথম শহীদ মিনারের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে রাজশাহীতে ভোটিং

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:৪৬

রাজশাহীর নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এসএম জার্জিস কাদির বলেন, ঢাকায় শহিদদের সম্মানার্থে রাজশাহী কলেজ মুসলিম হোস্টেলে দেশের প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়। এটা আমরা ভাষা সৈনিকদের কাছে ও অন্যান্য দালিলিক প্রমাণ থেকে জেনেছি। দেশের প্রথম শহীদ মিনারের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি রাজশাহী বাসীর প্রাণের দাবি। 

দেশের প্রথম শহিদ মিনারের স্বীকৃতি দাবিতে ৯ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) জনমত গঠন করতে অনলাইন ভোটিং কার্যক্রম শুরু করে রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি (আরসিআরইউ)।

অনলাইন ভোটিংয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রফেসর এসএম জার্জিস কাদির উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি বাবর মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূরের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ উপাধ্যক্ষ প্রফেসর প্রফেসর ড. মো. অলীউল আলম, যুক্তিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবু সাঈদ, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মালেক, কমিউনিটি অনলাইন সংবাদপত্র ‘বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের সম্পাদক ফেরদৌস সিদ্দিকীসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় নিহতের খবর শুনে সেদিন সন্ধ্যার পরে রাজশাহী কলেজের মুসলিম হোস্টেলের সামনে এ-ব্লকের এর পূর্ব দিকে শহিদদের স্মরণে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ একটি শহীদ মিনার বা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তোলে। ভাষা আন্দোলনে যারা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন তারা এটির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবী জানিয়ে আসছিলেন। এই দাবীতে অনলাইন ভোটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভোটিং শেষে আবেদন পৌঁছে দেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে।

আরো পড়ুন: চবিতে ছেলেদের হল থেকে তরুণী ও অস্ত্রসহ আটক ১৮ জন

প্রথম শহীদ মিনারের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবিতে সবাইকে অনলাইন আবেদনে অংশ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি বাবর মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান। তারা বলেন, চাইলে যে কেউ যে কোন স্থান থেকে (barendraexpress.com.bd/firstshahidminar) এই লিংকে গিয়ে অনলাইন আবেদনে অংশ নিতে পারবেন। এই দাবির পক্ষে কারো কাছে দালিলিক প্রমাণ থাকলে তা দিয়েও সহায়তার আহ্বান জানান আয়োজকরা।

ইত্তেফাক/অনি