সীতাকুণ্ডে পৌর এলাকা থেকে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে পথিমধ্যে চালককে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ছিনতাইকারীরা। এ সময় স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করে পুলিশে দেন। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শুক্রবার রাত ৮টায় পৌরসদরে মাইক্রোস্ট্যান্ডে চারজন ছিনতাইকারী এসে চমেক হাসপাতালে রোগীকে রক্ত দিতে যাবে বলে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে। মাইক্রোস্ট্যান্ড থেকে শহরের দিকে যাওয়ার পথে কোনো এক স্থানে চালক নুরুল গণি শিমুলকে (২৮) শ্বাসরোধে হত্যা করে তারা। হত্যার পর তারা গাড়িটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার সময় সিটি গেইট এলাকায় ড্রেনে পড়ে যায়। তখন রাত আনুমানিক ৯টা। চলাচল পথের লোকজন দেখে একজন গাড়িটি ড্রেন থেকে তুলতে ধাক্কা দিচ্ছেন। আর অপর দুইজন শিমুলকে নিয়ে গাড়ির পেছনের সিটে বসে আছে। এসময় বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে গাড়িতে থাকা দুইজনকে রেখে অন্যজন পালিয়ে যায়। স্থানীরা দুই হত্যাকারী মো. ইমন (২২) ও মীর হোসেন নিশানকে (২১) গণপিটুনি দেন। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। নিহত নুরুল গনি শিমুল পৌরসদরের আমিরাবাদ গ্রামের নুুরুল আলমের ছেলে।এদিকে, প্রাইভেটকার চালক শিমুল হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে পৌরসদরে কার-মাইক্রোবাস চালক সমিতি বিরাট মিছিল করে।
সীতাকুণ্ড মাইক্রোবাস কার চালক সমিতির সাবেক সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘চারজন লোক আমাদের স্ট্যান্ডে এসে একজন রোগীকে চমেক হাসপাতালে রক্ত দিতে নিবে বলে কারটি ভাড়া নিয়ে যায়। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের কঠোর শাস্তি ও বিচার চাই।’
আরও পড়ুন: নুসরাতের শরীরে আগুন দেয় শাহাদাত, জড়িত ১৩ জন: পিবিআই
আকবর শাহ থানার অফিসার ইনচার্জ জসিম উদ্দীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আটককৃত খুনিরা চালক শিমুলকে গাড়িতে শ্বাসরোধে হত্যা করে তারা লাশটি সমুদ্র ফেলে দিতে যাচ্ছিল বলে স্বীকার করে। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।’
ইত্তেফাক/কেকে

