বিশ্ব সংবাদ | The Daily Ittefaq

দ. কোরিয়া-মার্কিন মহড়ায় সুপারসনিক বোমারু বিমান

দ. কোরিয়া-মার্কিন মহড়ায় সুপারসনিক বোমারু বিমান
অনলাইন ডেস্ক০৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং ২১:১০ মিঃ
দ. কোরিয়া-মার্কিন মহড়ায় সুপারসনিক বোমারু বিমান
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ায় এবার যুক্ত হল মার্কিন সুপারসনিক বোমারু বিমান বি-১বি। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে এই মহড়া চলছে। আগামীকাল শুক্রবার পর্যন্ত এই মহড়া চলবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ মহড়ায় কোরীয় উপদ্বীপে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর আগে অনেকেই বলেছিলেন, কোরীয় উপদ্বীপে যুদ্ধের ঘনঘটা ও পিয়ংইয়ংয়ের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ করতে হলে সব ধরনের মহড়া বন্ধ করতে হবে। 
 
বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ায় যোগ দেয় মার্কিন এই বোমারু বিমানটি। উত্তর কোরিয়া এ ধরনের মহড়াকে কোরীয় উপদ্বীপে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া বলে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র শাসিত প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপের গুয়াম ঘাঁটি থেকে বিমানটি গতকালই উড্ডয়ন করে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। এই বোমারু বিমান সম্পর্কে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং তাদের নিয়মিত নিউজ ব্রিফিংয়ে বলেছেন,আমরা আশা করছি উভয় পক্ষ যেন যথেষ্ট সংযমের পরিচয় দেয়। 
 
তিনি বলেন, আমি আরো আশা করছি এসব কারণে এই উপদ্বীপে যেন নতুন করে কোন উত্তেজনা বৃদ্ধি না পায়। এই যৌথ মহড়া শুরু হওয়ার আগে উত্তর কোরিয়া উন্নত প্রযুক্তি ও পারমাণবিক শক্তিধর আইবিএম বা ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছিল। সেসময় উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল,এই ক্ষেপণাস্ত্রটি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখন্ড তথা ওয়াশিংটন ডিসিতে হামলা চালাতে সক্ষম। উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নানা অবরোধ ও নিন্দা জানানোর পরও তারা এই পরীক্ষা চালিয়েছিল। এদিকে উত্তর কোরিয়ার সরকারি নিউজ এজেন্সি কেসিএনএ বলেছে, যৌথ সামরিক মহড়ায় এ ধরনের বোমারু বিমানের অন্তর্ভুক্তি একটি যুদ্ধাবস্থাকেই আমন্ত্রণ জানায়। বোমারু বিমানটি মার্কিন এফ-২২ ও এফ-৩৫ দুটি স্টিলথ যুদ্ধবিমানের সঙ্গেই তাদের মহড়ায় অংশ নেয়। 
 
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই যৌথ সামরিক মহড়া এমন সময় চলছে যখন উত্তেজনা প্রশমনে উত্তর কোরিয়া সফরে রয়েছেন জাতিসংঘের রাজনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক দপ্তরের প্রধান জেফরি ফেল্টম্যান। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার এই সফরের মধ্য দিয়ে কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা প্রশমনে তিনি অনেকটা ভূমিকা রাখতে পারেন। রয়টার্স।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
১৮ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ফজর৫:১৩
যোহর১১:৫৫
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৮
এশা৬:৩৬
সূর্যোদয় - ৬:৩৪সূর্যাস্ত - ০৫:১৩