বিশ্ব সংবাদ | The Daily Ittefaq

আশা ও শঙ্কায় দোদুল্যমান কোরীয়-আমেরিকানরা

আশা ও শঙ্কায় দোদুল্যমান কোরীয়-আমেরিকানরা
অনলাইন ডেস্ক১৩ জুন, ২০১৮ ইং ১৫:৪২ মিঃ
আশা ও শঙ্কায় দোদুল্যমান কোরীয়-আমেরিকানরা
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের কোরীয়-আমেরিকানরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের মধ্যকার মঙ্গলবারের ঐতিহাসিক বৈঠকের পর আশাবাদী হয়ে উঠেছে। এশিয়ার বাইরে এখানেই সবচেয়ে বেশি কোরীয় বাস করে। এমন একজন হচ্ছেন ইউরি কিম। তিনি বলেন, এটা খুব ভাল একটি বৈঠক। এর মাধ্যমে আশার সূচনা হল।
 
কিম চার বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী হন। তিনি জানান, দুই নেতার এই বিরল বৈঠকের পর তিনি আশাবাদী যে এটা উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের দিকে নিয়ে যাবে।

৫৯ বছর বয়সী প্রকৌশলী কোয়াং উন বলেন, এই বৈঠকটি শান্তির পথে প্রথম ধাপ। তাদের মধ্যকার এই বৈঠকে আমি উচ্ছ্বসিত। তবে আপনি মাত্র একটি বৈঠকে সব সমস্যার সমাধান করতে পারেন না।

উত্তর কোরিয়ায় জন্মগ্রহণকারী সিয়েন জানান, তিনি কোরীয় উপদ্বীপে শান্তির অনেক ব্যর্থ চেষ্টা প্রত্যক্ষ করেছেন। তবে এবার শান্তি প্রচেষ্টা সফল হবে বলে তিনি আশাবাদী।

কোরিয়াটাউনে একটি রেস্তোরাঁর রাধুনী জেফরি ওয়াং বলেন, সোমবারের বৈঠকটি দু’পক্ষের সম্পর্কের উত্তরণের সূচনা মাত্র। যদিও তিনি এর চূড়ান্ত সফলতার ব্যাপারে সন্দিহান।

তিনি বলেন, আমি কিম জং উনকে বিশ্বাস করি না। আমরা উত্তর কোরিয়ার মানুষকে বিশ্বাস করি না। তিনি আরো বলেন, আমরা একটি যুদ্ধের মধ্যে রয়েছি।

উন বলেন, আমি আশা করছি ধীরে ধীরে দুই কোরিয়া আবার একসাথে বাস করবে। তিনি আরো বলেন, আমরা একই জাতি, একই ভাষাভাষী ও সংস্কৃতির মানুষ।

রয় লি(১৮) যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা-মা যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ছিলেন। তিনি একটি রেস্তোরাঁর মালিক। তিনি এই বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের ব্যাপারে সামান্য উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান।

তিনি বলেন, দুই কোরিয়াকে একীভূত করা হলে খুবই ভাল হবে। কিন্তু আমি কিম জং উনকে বিশ্বাস করি না। ট্রাম্পের আগে তিনি কখনো ঐক্যের ব্যাপারে কথা বলেননি। বাসস।
 
ইত্তেফাক/ জেআর
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২১ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬