বিশ্ব সংবাদ | The Daily Ittefaq

কিভাবে পৃথিবী রক্ষায় অবদান রাখতে পারেন?

কিভাবে পৃথিবী রক্ষায় অবদান রাখতে পারেন?
বিবিসি০৯ আগষ্ট, ২০১৮ ইং ০২:৪৯ মিঃ
কিভাবে পৃথিবী রক্ষায় অবদান রাখতে পারেন?

পৃথিবীতে প্রায় শতাব্দী ধরে বায়ু দূষণের বিরুদ্ধে লড়াই করছে বহু শহর। পঞ্চাশের দশকে লন্ডনে ধোঁয়ায় মৃত্যু হয়েছিল হাজার হাজার মানুষ। এরপর থেকে বাতাসকে মানুষের নিঃশ্বাস উপযোগী করতে অনেক কিছু করা হয়েছে। তারপরেও ব্রিটেনের শহরের বাতাস এখনো ইউরোপের অনেক শহরের তুলনায় বেশি দূষিত। বলা হচ্ছে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির ক্ষেত্রে ক্যান্সার, স্থূলতা ও হূদরোগের পরই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি এই বায়ু দূষণ। একজন ব্যক্তি বাতাসের মান উন্নীত করতে যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন—

 

ভ্রমণের বিকল্প পথ: নিজের গাড়িটি বাড়িতে রেখে আপনি কার্বন নিঃসরণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। লন্ডনের মেয়র লোকজনকে উত্সাহিত করছেন গণপরিবহন ব্যবহারে বা দুই মাইলের কম রাস্তা বাইক বা হেঁটেই পার হতে।

 

কার্বন নিঃসরণ পরীক্ষা: নতুন গাড়ি কেনার সময় দেখুন কার্বন নিঃসরণ হার কেমন। সবচেয়ে কম নিঃসরণ হয় এমন গাড়িই পরিবেশের জন্য ভালো।

 

ইলেকট্রিক কার: সারা বিশ্বেই সামনে ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহার বাড়বে আগামী দশকে। ২০৪০ সাল থেকে শুধু পেট্রোল বা ডিজেল চালিত গাড়ি আর বিক্রি হবে না যুক্তরাজ্যে। তারও এক দশক পর শুধু ইলেকট্রিক গাড়িই চলবে। যেগুলো থেকে কার্বন নিঃসরণ হবে না।

 

রাইড শেয়ারিং: ভ্রমণকালে কারও সঙ্গে রাইড শেয়ার করেও কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভূমিকা রাখা যায়। আমেরিকাতে রাইড শেয়ারিং যানবাহনের জন্য আলাদা লেন আছে।

 

বাড়িতে ব্যাটারি: ইলেকট্রিক বা বিদ্যুত্ চালিত গাড়ি থাকলে এটা জ্বালানি জমা রাখার সুযোগও দিয়ে থাকে। ভবিষ্যতে জ্বালানি কোম্পানিগুলো ভেহিকল টু গ্রিড প্রযুক্তি আনার বিষয়টি খুঁজছে। অর্থাত্ আপনি ব্যাটারিতে জ্বালানি সঞ্চিত রাখতে পারেন এবং পরে গ্রিডে বিক্রয়ও করতে পারেন। ক্যালিফোর্নিয়াতে নতুন বাড়িঘর হচ্ছে সোলার প্যানেলসহ এবং সেখানে ইলেকট্রিক গাড়ির চার্জিং পয়েন্টও থাকবে।

 

নিজস্ব জ্বালানি উত্পাদন: আপনি কখনো বাসায় সোলার প্যানেল লাগানোর কথা ভেবেছেন? এটা দীর্ঘমেয়াদে আপনার জ্বালানি খরচ কমাতে পারে। কেউ দরকারের বেশি বিদ্যুত্ উত্পাদন করলে সেটি গ্রিডে দিয়ে বোনাসও নিতে পারে। সোলারপ্যানেল লাগানোর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খরচও কমানো যায়।

 

জ্বালানি সঞ্চয়: সারা বিশ্বেই জ্বালানি খরচ বাড়ছে ঘরবাড়ির। যুক্তরাজ্যেই এক দশকে এটি দ্বিগুণ হয়েছে। খরচ সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে কাজে দিতে পারে স্মার্ট মিটার যা থেকে ডিজিটালি সঠিক রিডিং পাওয়া যাবে। এছাড়া আরো ছোট কিছু পদক্ষেপও খরচ কমিয়ে আনতে পারে। জ্বালানি ব্যবহার হয় এমন সব কিছু সবসময় চালিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। টিভি দেখছেন না যখন সংযোগটিই বন্ধ করে রাখুন। অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য হতে পারে।

এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৪
যোহর১১:৫১
আসর৪:১১
মাগরিব৫:৫৪
এশা৭:০৭
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৪৯