বিশ্বকাপ ফুটবল | The Daily Ittefaq

কী খাচ্ছেন বিশ্বকাপ তারকারা

কী খাচ্ছেন বিশ্বকাপ তারকারা
অনলাইন ডেস্ক২৯ জুন, ২০১৮ ইং ০৯:৩১ মিঃ
কী খাচ্ছেন বিশ্বকাপ তারকারা
ইলকে গুনদোগানের বাড়িতে গিয়ে রাঁধতে হয় জনি মার্শকে
রাশিয়া বিশ্বকাপের মূল পর্বে বিভিন্ন মহাদেশের ৩২টি দল অংশ নিয়েছিল। জমজমাট ফুটবল লড়াইয়ের পর ১৬টি দলই বাড়ি ফেরার টিকিট কেটেছে। প্রথম পর্বের খেলা শেষ আগামীকাল শুরু হবে দ্বিতীয় পর্বের খেলা। ফুটবল দলগুলোর লড়াইয়ের উন্মাদনা ছড়িয়েছে গ্যালারিতেও। বিশ্বকাপ ফুটবল এলে সারা বিশ্বের কোটি কোটি দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তারকা খেলোয়াড়রা। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়া সব বিষয়েই মানুষের আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়।   
 
ফুটবলারদের খাবার নিয়েও রয়েছে মানুষের কৌতূহল। রাশিয়ায় খেলতে আসা প্রতিটি দলের নিজস্ব শেফের টিম রয়েছে। সেই শেফরাই খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি করেন তাদের পছন্দের খাবার। কিন্তু টুর্নামেন্ট চলাকালে বিষয়টি একটু অন্যরকম। টুর্নামেন্ট চলার সময় খেলোয়াড়দের পছন্দের বদলে বেশি গুরুত্ব পায় টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত। মূলত যেসব খাবার খেলোয়াড়দের পারফর্ম করতে পারে সেই সব খাবারের দিকে জোর দেয়া হয়। ফুটবলারদের নিজেদের ব্যক্তিগত কিছু শেফও থাকেন। এমনই একজন শেফ জনি মার্শ। বিশ্বের বেশ কয়েক জন তারকা ফুটবলার তার হাতে তৈরি খাবারের ভক্ত। ঐ তারকা ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন ইংল্যান্ড দলের ডিফেন্ডারকাইল ওয়াকার এবং গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড। জনি মার্শের কাস্টমারদের তালিকায় রয়েছেন বেলজিয়ামের কেভিন ডি ব্রাইনা এবং মারওয়ান ফেলাইনি। এরা দু’জনেই ইংলিশ প্রিমিয়ারশিপেরও তারকা। রোনালদো এবং ফ্রান্সের পল পগবার জন্যও রাঁধতে চান ম্যানচেস্টারের এই ইংলিশ শেফ। তবে জনি মার্শের স্বপ্নের ক্লায়েন্ট অবশ্যই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
 
মার্শের ভাষায়, আমার ক্লায়েন্টদের নিয়ে আমি অত্যন্ত খুশি, কারণ তারা খুঁতখুঁতে নন। তারা চান সাদাসিধে খাবার, কিন্তু তাতে থাকতে হবে পুষ্টি। গ্যারেথ সাউথগেট আমাকে ডাকবেন বলে এখনও আমি আশা করছি। কিন্তু আমি জানি মাঠে ফুটবলাররা কতটা পারফর্ম করবেন, তার পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ নির্ভর করে তারা ম্যাচের আগে কী খাচ্ছেন তার ওপর। একেক ফুটবলারের পছন্দ একেক-রকম, কিন্তু ইংলিশ ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকার ম্যাচের আগে চান স্প্যাগেতি বোলোনেজ। এটি একটি ইটালিয়ান খাবার। গরুর কিমা এবং টম্যাটো দিয়ে সস বানিয়ে সিদ্ধ স্প্যাগেতি বা পাস্তার সাথে পরিবেশন করা হয়। তবে ওয়াকার একটু ভিন্নভাবে খাবারটি চান। তার পাস্তা সিদ্ধ করা হয় বিটরুটের রসে যাতে ঐ পাস্তা বিটরুটের আয়রন এবং নাইট্রেট শুষে নিতে পারে। এই দুই খনিজ দ্রব্য তাকে মাঠে বাড়তি শক্তি জোগায়। অন্যদিকে বেলজিয়াম এবং ম্যানচেস্টার সিটি ক্লাবের তারকা কেভিন ডি ব্রাইনা চান ম্যাচের আগে তার খাবারে যেন যথেষ্ট শর্করা থাকে, তবে খুব ভারি যেন না হয়।
 
ইংল্যান্ড দলের গোলকিপার জর্ডান পিকপোর্ড ম্যাচের আগে খুব বেশি খেতে চান না। দরকারও নেই, কারণ অন্য ১০ জন খেলোয়াড়ের চেয়ে গোলকিপারকে ছুটতে হয় কম। ফলে তার শক্তি খরচও হয় কম।
 
মাঝে মধ্যে ফুটবলাররা রুটিনের বাইরে বেরুতে চান। ফাস্ট ফুড খেতেও চান। তারা যদি বার্গার এবং ফ্রাই চান, আমি তাদের জন্য মসলাদার টার্কি বার্গার করে দিই, খেয়াল রাখি বেশি যেন তেল-চর্বি ব্যবহার না হয়। মিষ্টি খাওয়ার ওপর অনেক বিধিনিষেধ রয়েছে কিন্তু অনেকেই মিষ্টি পাগল, বিশেষ করে ম্যাচের পর তারা পুডিং দাবি করেন। আমি আমার ক্লায়েন্টদের ‘অ্যাভোকাডো-চকলেট মুস’ তৈরি করে দিই, সাথে কিছু প্রোটিন যোগ করে দিই, যাতে দ্রুত তাদের ক্লান্তি কাটে।-বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৩
মাগরিব৫:৫৭
এশা৭:১০
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫২