বিশ্বকাপ ফুটবল | The Daily Ittefaq

আর সুযোগ নষ্ট করবে না ফ্রান্স

আর সুযোগ নষ্ট করবে না ফ্রান্স
অনলাইন ডেস্ক১৪ জুলাই, ২০১৮ ইং ০৯:১৬ মিঃ
আর সুযোগ নষ্ট করবে না ফ্রান্স
এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় মেজর টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলছে ফ্রান্স। ২০১৬ সালে নিজেদের মাটিতে ইউরো ফাইনাল খেলেছিল তারা। কিন্তু সেই স্মৃতি ভুলে যাওয়ারই চেষ্টা করার কথা ফ্রান্সের। সেই ফাইনালে পর্তুগালের কাছে হেরে গিয়েছিল স্বাগতিক দল। তবে দলের স্ট্রাইকার অলিভিয়ার জিরু বলছেন, এই ফ্রান্স দল সেই ফাইনালে খেলা দলের চেয়ে মানসিকতায় ভিন্ন। কারণ এই দলের মনোসংযোগ অনেক বেশি।
 
রবিবারে ফাইনালেও সম্ভবত শুরুর একাদশে থাকবেন জিরু। পেরুর বিপক্ষে গ্রুপ ম্যাচের পর থেকে ওসমানে ডেম্বেলের বদলে তিনিই প্রতি খেলায় শুরুর একাদশে থাকছেন।
 
ফ্রান্স ফাইনালে খুবই ফেবারিট দল হিসেবে খেলতে নামবে। ইতোমধ্যে তারা বিশ্বকাপের কয়েকটি পরাশক্তি দলকে বিদায় করে দিয়েছে—আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও বেলজিয়ামকে হারিয়ে এসেছে তারা। তবে সেই সাথে তাদের ফাইনালে দূর করতে হবে পর্তুগালের কাছে পরাজয়ের সেই স্মৃতিও।
 
জিরু বলছেন, এবার ব্যাপারটা ভিন্ন। কারণ, সেবার তারা মনোসংযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে বলছেন এই তারকা। এবার আর তারা সুযোগ নষ্ট করতে চান না বলে বলছিলেন তিনি, ‘এবার ব্যাপারটা ভিন্ন। সেই সেমিফাইনালে জার্মানিকে হারানোর পর আমরা একটা ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম। এবার বেলজিয়ামের বিপক্ষে জয়ের পর তেমন ঘটেনি। এবার অনুভূতিটা একরকম নয়। এবার আমরা জানি যে, আমাদের আরেকটা ম্যাচ জিততে হবে। এবার আমাদের মনোসংযোগ ও চিন্তা কাজটা শেষ করা নিয়ে। এ জন্যই পরিস্থিতি আলাদা। আমরা এই পর্যন্ত আসতে লম্বা পথ পাড়ি দিয়েছি। এখন এই সুযোগটা নষ্ট করতে চাই না।’
 
ফ্রান্সের প্রতিভার অভাব নেই। এই প্রতিভা ব্যাপারটার অভাব নেই আরেক ফাইনালিস্ট ক্রোয়েশিয়ারও। তবে জিরু বলছেন, প্রতিভা দিয়ে বিশ্বকাপ জেতা যাবে না। মূলত এই ম্যাচে কোন দল কতোটা কার্যকারিতা দেখাতে পারে, তার ওপরই ফল নির্ভর করছে বলে তিনি বলছেন, ‘আপনি শুধু প্রতিভা দিয়ে বিশ্বকাপ জিততে পারবেন না। শুধু প্রতিভা যথেষ্ট হবে না। আপনার কার্যকারিতা লাগবে। মানসিক শক্তি এই ম্যাচে শতকরা ৭০ ভাগ ভূমিকা রাখবে। আপনি যদি আপনার সতীর্থদের সাথে কাজ করতে তৈরি থাকেন, পরস্পরের সাথে একই নিবেদন দেখাতে পারেন এবং প্রতীজ্ঞা ঠিক রাখেন, তাহলে যে কোনো কিছু ঘটতে পারে।’
 
চেলসির এই স্ট্রাইকার এবার বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত গোল করতে পারেননি। সে জন্য তিনি নিজেকে খানিকটা দায়ও দিচ্ছেন। তবে জিরু বলছেন, তিনি আসলে দলের ভারসাম্য ঠিক রাখা এবং নিজের ভূমিকাটা পালন করা নিয়েই ভাবছেন, ‘বেলজিয়ামের বিপক্ষে আমার কার্যকারিতার অভাব ছিল। সেই সাথে স্কোর করার জন্য যে ভাগ্যটা দরকার হয়, সেটাও ছিল না। আশা করি ফাইনালে ভাগ্য আমার সাথে থাকবে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে গুবিরাচ দারুণ খেলেছিল। কিন্তু কোনো গোল করতে পারেননি। আমার মনে হয়, আমিও ভালো একটা বিশ্বকাপ কাটাচ্ছি। তিনটি গোলে সহায়তা করেছি। আমি প্রতীজ্ঞাবদ্ধ আছি এবং যথেষ্ট পরিশ্রম করছি। আমাদের মূল ব্যাপারটা হলো, সকলে যার যার সেরাটা দেওয়া।’
 
জিরু মনে করেন, তিনি গোল না পেলেও ভারেলা কাজ করছেন, নিজের সেরাটা মাঠে দিচ্ছেন। এই পথে যদি ফাইনালে একটা গোল আসে, তাহলে তিনি খুশী হবেন। তবে গোল না করেও দল যদি চ্যাম্পিয়ন হয়, আরও বেশি খুশী হবেন বলে বলছিলেন, ‘আমি মনে করছি, আমি দলের জন্য সবটুকুই উজাড় করে দিচ্ছি। যদি একটা গোল আসে, তাহলে আমি খুব খুশী হবো। আশা করি, রবিবারই সেটা আসবে। তবে আমরা যদি চ্যাম্পিয়ন হই, আর আমি গোর না পাই; তাতে আমি আরও বেশি খুশী হবো।’
 
ইত্তেফাক/এএম
এই পাতার আরো খবর -
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৩
মাগরিব৫:৫৭
এশা৭:১০
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫২