ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ১২ চৈত্র ১৪২৫
২৫ °সে

পাকিস্তানে পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেবে ভারত

কাশ্মিরে ফের হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার
পাকিস্তানে পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেবে ভারত
ফাইল ছবি

পাকিস্তানে নদীর পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেবে ভারত। কাশ্মিরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার জের ধরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। গতকাল বৃহস্পতিবার ভারতের পানিসম্পদমন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি এই তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে কাশ্মিরে ফের হামলার আশংকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলওয়ামায় হামলার পর এমএফএন (মোস্ট ফেভারড নেশন) এর তালিকা থেকে পাকিস্তানকে বাদ দেওয়া এবং আমদানি শুল্ক ২শ’ ভাগ বৃদ্ধির পর পাকিস্তানকে আরো চাপে ফেলতে পানি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের তৃতীয় পদক্ষেপ। গতকাল টুইটার বার্তায় নীতিন গড়কড়ি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে আমরা পাকিস্তানকে আমাদের ভাগের পানি দেওয়া বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা ওই পানি ঘুরিয়ে কাশ্মির এবং পাঞ্জাবে দেব যাতে আমাদের নাগরিকরা আরো উপকৃত হন। ইতোমধ্যেই ইরাবতী নদীর উপর বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে। আমাদের ভাগের বাকি দুটি নদীর উপরও বাঁধ দিয়ে অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। সবকটি প্রকল্পকে জাতীয় প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রত্যাশা বাড়িয়েছে এবারের মেলা

১৯৬০ সালে দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত সিন্ধু চুক্তি অনুযায়ী, ভারত ও পাকিস্তান মোট ৬টির নদীর পানি ভাগাভাগি করে নেয়। এর মধ্যে তিনটি নদীর সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে ভারতের হাতে। সেই তিনটি নদী ইরাবতী, বিপাশা এবং শতদ্রু। পঞ্চনদের অন্য দুটি নদী অর্থাত্ ঝিলম এবং চন্দ্রভাগা পাকিস্তানের দিকে। এছাড়া সিন্ধু নদের পানির সম্পূর্ণ অধিকার পাকিস্তানের। গতকাল সকালেই নীতিন গড়কড়ি জানিয়েছিলেন, নিজের অধিকারে থাকা নদীর পানি যমুনা নদীর দিকে ঘুরিয়ে দেবে ভারত। এর ফলে যমুনায় পানি বাড়বে। পাকিস্তান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বাড়তি সুবিধা পাবেন ভারতের মানুষ। বিকালেই সিদ্ধান্তের কথা টুইটারে জানান পানিসম্পদমন্ত্রী।

কাশ্মিরে নিরাপত্তা জোরদার

কাশ্মিরে ফের বড় ধরনের হামলা চালাতে পারে পাকিস্তান ভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী জয়শ-ই-মোহাম্মদের জঙ্গিরা। পুলওয়ামার ঘটনার তদন্তে নেমে সোশ্যাল মিডিয়াতে তানজিম’র একটি এনক্রিপটেড গ্রুপের বার্তা বিনিময় থেকে এই ধারণা করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বার্তায় বলা হয়েছে- ‘ইস বার উসসে বড়া খিলোওনা তৈয়ার হ্যায়’। গোয়েন্দারা মনে করছেন, খিলোওনা বলতে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ির কথা বলা হচ্ছে। কাশ্মিরে তানজিম বলতে বোঝায়, জিহাদিদের সাহায্যকারী ছোট ছোট দল যারা জিহাদিদের মধ্যে সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে থাকে। ওই সতর্কবার্তা ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা সেনা গোয়েন্দা, আধাসামরিক বাহিনী এবং কাশ্মির পুলিশের সঙ্গে আদান-প্রদান করেছেন। - এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকা

ইত্তেফাক/আরকেজি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৬ মার্চ, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন