মার্কিন সৈন্যরা ‘মোটা’, চীনারা ‘হস্তমৈথুনে আসক্ত’

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০১৯, ২১:২০ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রশিক্ষণের সময় সমস্যায় পড়েছেন এক মার্কিন সৈন্য। ছবি: বিবিসি।

আমেরিকান সৈন্যদের ৬০ শতাংশই নাকি 'অতিরিক্ত মোটা' - এক রিপোর্টে এই মত প্রকাশ করেছে র‌্যান্ড কর্পোরেশন নামে একটি আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক।

একটা দেশের সেনাবাহিনীতে সৈন্যরা স্বাস্থ্য ও ওজনের দিক থেকে কেমন হবে - তা নির্ধারিত হয় একটা মাপকাঠি দিয়ে, যাকে বলে বডি ম্যাস ইনডেক্স বা বিএমআই। এই বিএমআই হিসাব করে বের করা হয় যে একজন সৈন্যের উচ্চতা এবং ওজনের অনুপাত আদর্শ এব স্বাস্থ্যকর সীমার মধ্যে আছে কিনা।

সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে যে পৃথিবীর অনেক দেশেই সৈন্যদের মধ্যেই স্থূলতা, বা অলস জীবনযাপনজনিত সমস্যা তৈরি হয়েছে । এমনকি চীনের সেনাবাহিনীতে সৈন্যদের মধ্যে কম্পিউটার গেম ও হস্তমৈথুন আসক্তিও এক সমস্যা হয়ে উঠছে।

র‌্যান্ড কর্পোরেশনের হিসেবে দেখা যাচ্ছে - আমেরিকান সৈন্যদের প্রায় ৬৬ শতাংশের ওজনই মাত্রাতিরিক্ত রকমের বেশি। এমন এক সময় এই হিসেব বেরুলো যখন আমেরিকান তরুণদের বেশিরভাগই সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী নয়। বলা হচ্ছে, ২০১৭ সালে ১৬ থেকে ২৪ বছরের আমেরিকানদের মধ্যে মাত্র ১১ শতাংশ সামরিক বাহিনীতে যোগ দেবার আগ্রহ দেখিয়েছে।

আরো খারাপ খবর হচ্ছে, যারা নিয়োগের পরীক্ষায় বাতিল হয় তাদের এক-তৃতীয়াংশই বাদ পড়ে অতিরিক্ত মোটা হবার কারণে।

আরও পড়ুনঃ আয় কমেছে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের

স্থূলতা সংক্রান্ত স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসার জন্য কিংবা বাদ-পড়াদের শূন্যস্থান পূরণ করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রতি বছর দেড়শো কোটি ডলার খরচ করতে হয়, একথা লিখেছেন এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জেফরি ফিলিপস।

চীনা সৈন্যদের সমস্যা: ফাস্ট ফুড এবং হস্তমৈথুন

চীনা সৈন্যদের নাকি প্রধান সমস্যা হচ্ছে ফাস্ট ফুড খাওয়া এবং হস্তমৈথুন। একথাই বলা হয় গত বছর চীনা সেনাবাহিনীর পত্রিকা 'পিপলস লিবারেশন আর্মি ডেইলি'র এক রিপোর্টে।

এতে এক সম্পাদকীয়তে লেখা হয়: নিম্নমানের খাওয়া, দীর্ঘ সময় কমপিউটার গেম নিয়ে বসে থাকা, অতিমাত্রায় হস্তমৈথুন করা, এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব - এ গুলোই হচ্ছে তরুণ সৈন্যদের ফিটনেস টেস্টে অনুত্তীর্ণ হবার সংখ্যা বেড়ে যাবার কারণ। বলা হয়, নতুন প্রার্থীদের ২০ শতাংশ ওজন পরীক্ষায় ফেল করেছে। কিছু সৈন্য ৫ কিলোমিটারের দূরপাল্লার দৌড় শেষ করতে পারে নি।

ইত্তেফাক/টিএস