ইউক্রেন সঙ্কটের ওপর নজর রাখতে পোল্যান্ড ও রুমানিয়ায় অ্যাওয়াকস অনুসন্ধানী বিমান মোতায়েন করবে ন্যাটো। সোমবারই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ন্যাটোর মুখপাত্র। তিনি আরো জানান, ন্যাটোর শীর্ষ সামরিক প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর জেনারেল ফিলিপ ব্রিডলভ এর সুপারিশের পর ন্যাটো কূটনীতিকরা এ পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। —খবর বিডি নিউজ টোয়েন্টি ফোর ডটকমের। ন্যাটো মিত্র দেশগুলোর সীমানার ভেতরে থেকেই নজরদারি চালাবে সব অ্যাওয়াকস বিমান। পরিস্থিতি সম্পর্কে জোটের দেশগুলোর সচেতনতা বাড়ানোই এর লক্ষ্য। জার্মানি এবং যুক্তরাজ্যের ন্যাটো বিমানঘাঁটি থেকে উড়ে যাবে এ নজরদারি বিমানগুলো। রাশিয়ায় যোগদান প্রশ্নে আগামী রবিবার ক্রিমিয়ায় গণভোটের আগে রাশিয়া সেখানে নিয়ন্ত্রণ আরো পাকাপোক্ত করায় ন্যাটো এ পদক্ষেপ নিল। ক্রিমিয়ার রাশিয়ায় যোগ দেয়ার পরিকল্পনাকে ইউক্রেন এবং পশ্চিমা বিশ্ব অবৈধ আখ্যা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এ সপ্তাহে পোল্যান্ডে ১২টি এফ-১৬ জঙ্গি বিমান এবং পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণে পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার এক সপ্তাহ পর ন্যাটো এ নজরদারি বিমান পাঠাচ্ছে। এতে করে ইউক্রেন সঙ্কট নজরে রাখতে ন্যাটোর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার ব্যাপারে নতুন করে আশ্বস্ত হবে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো। ২০১৩ সালের নভেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তিতে না গিয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে দেড় হাজার কোটি ডলার ঋণ নেয়ার পর ইউক্রেনে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে পার্লামেন্টে বিক্ষোভ বিরোধী বিভিন্ন আইন পাসকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ সহিংস রূপ পায়। সমপ্রতি রাশিয়ার কাছ থেকে ইউক্রেন আরো দুইশ’ কোটি ডলার ঋণ নেয়ার পর নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। সহিংসতায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীসহ নিহত হয় অন্তত ৭৭ জন।
