চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের কাজ গতকাল মঙ্গলবার থেকে শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি গতকাল মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম লালদীঘির ময়দানে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন পরিষদ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা এবং মঙ্গলবার সকালে তার নির্দেশক্রমে এ মুহূর্ত থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের কাজ শুরু হলো। মন্ত্রী আজ বুধবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন বলে জানান। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস্তবায়নের কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধন করবেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগরী আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এই সরকারের আমলে কোনো দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলনের প্রয়োজন নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন দেখতে চান। তারই নির্দেশে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজকে এবং পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম বিভাগের মেডিক্যাল কলেজকে নিয়ে আসা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে যারা চক্রান্ত করছে তাদেরকে সবাই চেনে। এখানে যারা আছেন বিশ্ববিদ্যালয় হলে কারো চাকরি যাবে না। তিনি এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে চট্টগ্রামবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
জনসভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেমউদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাসির উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সাবেক অধ্যক্ষ ডা. ইমরান বিন ইউনুস, ডা. একিউএম সিরাজুল ইসলাম, ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা আবু হানিফ, এড. আবদুর রশিদ বিএমএ চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি মুজিবুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শরিফ, মুক্তিযোদ্ধা অমল মিত্র প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হলে এখানে বিশ্বমানের চিকিত্সাসেবা হবে। চিকিত্সার জন্য কাউকে আর বিদেশে যেতে হবে না। তিনি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালকে মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রস্তাবও তুলে ধরেন।
