ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬
৩২ °সে


ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় ইতালিতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় ইতালিতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত
বাংলাদেশ দূতাবাস উদযাপন করেছে ৪৮তম জাতীয় স্বাধীনতা দিবস।

যথাযথ মর্যাদা এবং ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ইতালির রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস উদযাপন করেছে ৪৮তম ৪৮তম জাতীয় স্বাধীনতা দিবস। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত তুস্কুলানা এলাকার একটি মিলনায়তনে বিকেলে একটি আলোচনা সভা ও জাকজমকপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ দূতাবাস। অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিশু-কিশোরসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীগণ অংশগ্রহণ করেন।

ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে সমস্বরে জাতীয় সংগীত গেয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে দিনের কর্মসূচী শুরু করেন। এরপর পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভা শুরু হয়। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০১৯ উপলক্ষে প্রদত্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভায় ইতালিস্থ বাংলাদেশী রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যার নেতৃত্বে বাঙালি পেয়েছে এক স্বাধীন বাংলাদেশ। বক্তারা বলেন, 'প্রবাসে বেড়ে উঠা শিশু-কিশোরদের বাংলাদেশের ইতিহাস এবং সমৃদ্ধ কৃষ্টি-সংস্কৃতি বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া ও চর্চার উৎসাহিত করা খুবই জরুরি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাস বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের মাধ্যমে বিশেষ ভূমিকা রাখছে'।

রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার তার বক্তব্যের শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদ এবং সম্ভ্রমহারা মা-বোনদের। রাষ্ট্রদূত বলেন, 'বাঙালিরা সে সময়কার পাকিস্তানের অধীনে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে বৈষম্যের শিকার ছিল। এই বৈষম্য থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্তি প্রদানের জন্য বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয়ের মাধ্যমে আমরা রাজনৈতিক স্বাধীনতা লাভ করেছি। স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু বাঙালিকে অর্থনৈতিক মুক্তি প্রদানের জন্য কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু অল্প সময়ে তিনি এ কাজ সমাপ্ত করতে পারেননি'।

আরও পড়ুন: বিয়ের দাবিতে বগুড়ায় তরুণীর অনশন

তিনি আরও বলেন, 'বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ এখন একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে এবং ২০৪১ সালে মধ্যে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে'। এক্ষেত্রে সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভার শেষে প্রবাসী খ্যাতনামা শিল্পীগণের অংশগহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিল্পীগণ ঐতিহ্যবাহী নৃত্য এবং দেশাত্মবোধক ও আধুনিক সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে উপস্থিত অতিথিদের মুগ্ধ করেন।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৭ জুন, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন