ঢাকা বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬
৩০ °সে


ইসলামাবাদে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

ইসলামাবাদে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন
ছবি: সংগৃহীত

যথাযথ মর্যাদায় পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৮তম এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামর ১২০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে (১৩ জুন) বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশি, সামরিক প্রশিক্ষণার্থী এবং মিশনের কর্মকর্তা- কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক আহসান। স্বাগত বক্তৃতাকালে তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলার নবজাগরণ বা বঙ্গীয় রেনেসাঁ সময়ের উজ্জ্বলতম প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাদের সৃষ্টিতে আমরা লক্ষ্য করি মানবিকতার সার্বজনীতার বাণী আর সমাজের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সোচ্চার বিরুদ্ধ অবস্থান। পূর্ব বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনই হয়ে উঠেছে এই দুই বরেণ্য কবির সাহিত্য কর্মের প্রধান উপজীব্য।

আরও পড়ুন: পরিবর্তন আসছে টাইগারদের স্কোয়াডে

হাইকমিশনার আরও বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রবীন্দ্রনাথের বাংলাদেশ প্রেম আর নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা বাঙালীদের মুক্তিযুদ্ধে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল কখনোই পুরাতন বা সেকেলে হবেন না; তাদের সাহিত্য বা সৃষ্টির আবেদনগুলো যুগে যুগে আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে এবং উঠবে।

তারিক আহসান বলেন, বর্তমান জগতের বৈষিকীয়তা, বৈষম্য, বর্ণবাদ, ধর্মান্ধতা দূর করে একটি আলোকিত মানবিক সমাজ গড়তে এই দুই কবির রেখে যাওয়া শিক্ষা আমাদের জন্য দিশারী হিসাবে কাজ করবে।

আলোচনা শেষে, সাংস্কৃতিক পর্বে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুলের লেখা কবিতা আবৃতি ও সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

প্রবাসী বাঙ্গালী, দূতাবাসের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশি শিশুরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের দেশীয় খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

ইত্তেফাক/বিএএফ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৪ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন