ভিয়েতনামে মুজিববর্ষের ক্ষণগননা শুরু করল বাংলাদেশ দূতাবাস

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২০, ০০:৩৪ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা মুহূর্তের উদ্বোধন। ছবি: সংগৃহীত

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনার উদ্বোধন করেছে ভিয়েতনামের বাংলাদেশ দূতাবাস।

শুক্রবার বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণগণনা মুহূর্তের উদ্বোধনের সঙ্গে একযোগে হ্যানয়ের বাংলাদেশ দূতাবাসে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে বিশেষ এই ক্ষণকে উদযাপন করা হয়। হ্যানয় মিশন থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রদূত মিজ সামিনা নাজ চ্যান্সারী ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির সূচনা করেন । দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণ গণনার উদ্বোনের মূহুর্তে হ্যানয়স্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে সকালে একযোগে এ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন। দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পাঠানো বাণী অনুষ্ঠানে পাঠ করে শোনানো হয়। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যরা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধাসহ সব শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

রাষ্ট্রদূত দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনার সূত্রপাত করেন। 

রাষ্ট্রদূত বলেন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল । ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিনত হবে এ-আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ দিনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের
সোনার বাংলায় পরিনত করতে সব বাংলাদেশিকে একযোগে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জাতির পিতার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শণীর আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে: নৌ প্রতিমন্ত্রী 

বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ক্ষণ গণনা মহুর্তের সঙ্গে একযোগে বাংলাদেশ দূতাবাস হ্যানয়ে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই ক্ষণ গণনার বিশেষ মহুর্ত-কে উদযাপন করা হয়।

ইত্তেফাক/কেকে