বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭
৩২ °সে

কানাডাস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানের ক্ষণগণনা উদ্বোধন

কানাডাস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানের ক্ষণগণনা উদ্বোধন
ছবি: ইত্তেফাক

কানাডার অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন ও জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানের ক্ষণগণনা উদ্বোধন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে দেশটির রাজধানী অটোয়াসহ বিভিন্ন প্রদেশের বাংলাদেশ কম্যুনিটি নেতৃবৃন্দসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবং অত্র হাই কমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।

হাই কমিশনার মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে শুরুতেই এ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ যথাক্রমে পাঠ করেন উপ হাই কমিশনার জনাব চিরঞ্জীব সরকার, মিনিস্টার ও দূতালয় প্রধান জনাব মিয়া মো. মাইনুল কবির, কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) জনাব দেওয়ান হোসনে আইয়ুব এবং কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। বাণী পাঠ শেষে একটি উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে মাসুদ সিদ্দিকি, জনাব বাহাউদ্দিন শিশির, জনাব কবির চৌধুরী, জনাব জুলফি সাদিক, প্রফেসর নিপা ব্যাণার্জী, বেগম রাশেদা নেওয়াজ, হাই কমিশনের প্রথম সচিব মিজ অপর্ণা রানী পাল ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুল হক প্রমুখ এ দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: লোহাগাড়ায় মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

অনুষ্ঠানে বক্তরা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতির স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা পায় বলে উল্লেখ করেন। বিশ্ব জনমতের চাপেই পাকিস্তানি সামরিক শাসকচক্র তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। আর সেখান থেকে মুক্ত হয়েই তিনি দেশে ফিরলে বিজয়ী জাতির জনক হয়ে উঠেন।

সভাপতির বক্তব্যে হাই কমিশনার জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে বলেন, ‘মৃত্যুকে তুচ্ছ করে বঙ্গবন্ধু সমগ্র জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। বঙ্গবন্ধু ও বাঙ্গালি জাতি হয়ে উঠে এক অবিচ্ছিন্ন সত্তা। যে কারণেই তার এ প্রত্যাবর্তন ছিল বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সার্থকতার এক অভূতপূর্ব মুহূর্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

হাই কমিশনার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অত্র হাই কমিশনের ওয়েবসাইটে ভার্চুয়াল ওয়াচ এর মাধ্যমে ক্ষণগণনার শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত কম্যুনিটির আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ শুভ উদ্বোধনে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, আসন্ন জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অত্র হাই কমিশন কর্তৃক গৃহীত ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত নানা কর্মসূচির বিষয়ে হাই কমিশনার উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন। আমন্ত্রিত অতিথিরা এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বাস প্রদান করেন।

এছাড়াও কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কম্যুনিটির পক্ষ থেকে নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে হাই কমিশনকে অবহিত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলকে আপ্যায়ন করা হয়।

ইত্তেফাক/এএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত