বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২০, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭
২৯ °সে

জীবন জীবিকা স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখতে পারে ‘ডাটা বিপ্লব’

জাতিসংঘে বাংলাদেশ আয়োজিত ভার্চুয়াল প্যানেল আলোচনায় বক্তারা
জীবন জীবিকা স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখতে পারে ‘ডাটা বিপ্লব’
ভার্চুয়াল সাইড ইভেন্টের প্যানেল আলোচনায় বক্তরা। ছবি: ইত্তেফাক

জনগণের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষাসহ স্বাস্থ্য সঙ্কট হ্রাসে ভূমিকা রাখতে পারে ‘ডাটা বিপ্লব’। প্রমাণভিত্তিক ডাটা শুধু কোভিড-১৯ জনিত স্বাস্থ্য সঙ্কট মোকাবেলার জন্যই নয়, এটি দরিদ্র ও সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সামাজিক সুরক্ষা, নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা এবং স্থানীয় ও প্রবাস ফেরত কর্মীদের জীবিকার সংস্থান নিশ্চিতের জন্যও প্রয়োজন।

স্থানীয় সময় সোমবার ‘ডাটা বিপ্লবের মাধ্যমে কোভিড পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সাইড ইভেন্টের প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা এসব কথা উল্লেখ করেন।

জীবন ও জীবিকার ভারসাম্যের জন্যে কীভাবে ডাটা ব্যবহার করা যেতে পারে সে সম্পর্কে কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরকারি, বিষয় বিশেষজ্ঞ, একাডেমিয়া এবং বেসরকারি খাত থেকে নির্বাচিত প্যানেলিস্টগণ নিয়ে জাতিসংঘের চলমান উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরাম উপলক্ষে উক্ত ভার্চুয়াল সাইড ইভেন্টের আয়োজন করে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এটুআই এই আয়োজনটির বাস্তবায়ন করে। সোমালিয়া, জাতিসংঘের সংস্থাসমূহ এবং ফিউচার অব ওয়ার্ক ল্যাব বাংলাদেশ ছিল ইভেন্টির সহযোগী। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। বাংলাদেশ থেকে আলোচনায় অংশ নেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। কোভিড মোকাবিলা ও পুনরুদ্ধার কর্মসূচির কার্যকর ও সময়োপযোগী বাস্তবায়নে ডাটা বিপ্লবের ওপর বিশেষ জোর দেন আলোচকরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, যেহেতু আমরা একটি মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছি তাই বৈজ্ঞানিক প্রমাণপত্র ও তথ্যাদির গুরুত্ব আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি। তাই ‘ডাটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ’ -এখন কী ঘটছে শুধু সে জন্যই নয়, বাস্তবভিত্তিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রেও অত্যাবশ্যক।’

কোভিড-১৯ এর ফলে সারাবিশ্ব যেসকল বহুমূখী চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এক্ষেত্রে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জসমূহের কথা তুলে ধরেন। এসময় তিনি বলেন, ‘অভিবাসী কর্মী প্রেরণকারী অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও কোভিড মহামারিজনিত কারণে অভিবাসী কর্মীদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের ন্যায় আমাদের অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে পড়েছে। তেলের দাম হ্রাস ও কোভিড মহামারির দ্বৈত প্রভাবে অনেক কর্মী বেকার হয়ে পড়েছে। তাই ডাটা সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও এর কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনকারী এসকল প্রবাসী কর্মীগণের পুনঃকর্মসংস্থান ব্যবস্থা করতে পারি এবং তাদের টেকসই উপায়ে পুনরায় কর্মে পুনর্বাসিত করতে সাহায্য করতে পারি।’

ইত্তেফাক/এসি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত