সিঙ্গাপুরে করোনা পরিস্থিতির অবনতি সত্ত্বেও সচল বাংলাদেশের শ্রমবাজার

সিঙ্গাপুরে করোনা পরিস্থিতির অবনতি সত্ত্বেও সচল বাংলাদেশের শ্রমবাজার
[ফাইল ছবি]

গত ২৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম সূচনা করে। ভ্যাকসিন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর যখন অর্থনীতির চাকা সচল রেখে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অপেক্ষায়, ঠিক তখনই সিঙ্গাপুরে কমিউনিটি সংক্রমণসহ ৩০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

করোনা শনাক্ত হওয়ায় বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের বিষয়ে আরও কড়াকড়ি আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার। তবে নতুন করে কড়াকড়ি আরোপের ফলে সিঙ্গাপুরে সচল হয়ে ওঠা বাংলাদেশের শ্রম বাজারে তেমন প্রভাব পড়েনি।

করোনা সংক্রমণ রোধে চলমান বিধি-নিষেধের পাশাপাশি ২৪ জানুয়ারির পর সিঙ্গাপুরে প্রবেশের সময়েই বিমানবন্দরে পিসিআরভিত্তিক করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাছাড়া করোনা ঝুঁকিপূর্ণ বেশ কিছু দেশ থেকে আসা সিঙ্গাপুরের নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা ও বিদেশিদের বাধ্যতামূলক কোয়ারান্টাইনের মেয়াদ ১৪ থেকে বাড়িয়ে ২১ দিনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোভিড-১৯ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো থেকে আসা বিদেশি কর্মীদের ক্ষেত্রেও ২১ দিনের এই কোয়ারান্টাইনের শর্ত প্রযোজ্য হবে।

বিদেশি পর্যটকদের ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরে প্রবেশের পরে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহের জন্য ইনস্যুরেন্স করার শর্তও আরোপ হতে যাচ্ছে।

সিঙ্গাপুরে করোনা ভাইরাসের নতুন প্রকোপ এবং ভ্রমণ সংক্রান্ত কড়াকড়ি আরোপের ফলে আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নতুন করে কড়াকড়ি আরোপের ফলে সিঙ্গাপুরে সচল হয়ে ওঠা বাংলাদেশের শ্রম বাজারে তেমন প্রভাব পড়েনি। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার জন্য হাইকমিশনে প্রতিদিনই গড়ে ২০০ এর অধিক ডিমান্ড লেটার জমা পড়ছে এবং দেশ থেকে সিঙ্গাপুরে কর্মী আসা অব্যাহত আছে।

ইত্তেফাক/ইউবি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x