বিদেশে বিভিন্ন মিশনে গণহত্যা দিবস

বিদেশে বিভিন্ন মিশনে গণহত্যা দিবস
ছবি: সংগৃহীত

যথাযথ মর্যদা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় সিঙ্গাপুর, স্টকহোম, টোকিও ও ভিয়েতনামসহ বিদেশে বিভন্ন মিশনে গণহত্যা দিবস পলিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সিঙ্গাপুর

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে নিহত শহীদদের স্মরণে জাতীয় পতাকা রাখা হয় অর্ধনমিত, বিশেষ অনুষ্ঠান, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বাণী পড়ে শোনানো হয়। এছাড়া নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার উপরে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। হাইকমিশনার মো. তৌহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যের শুরুতেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

তিনি ব্যথাতুর চিত্তে স্মরণ করেন ২৫ মার্চের কালরাতে নিহত শহীদদের যাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের পথ বেঁয়ে অর্জিত হয়েছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা। মানব ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত গণহত্যাকে মানবতা বিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি এর তীব্র নিন্দা জানান এবং এরূপ অপরাধ সংঘটনের সাথে জড়িতদের আইনের মুখোমুখি দাঁড় করানোর বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন।

স্টকহোম

যথাযথ মর্যাদায় বাংলাদেশ দূতাবাস স্টকহোমে গণহত্যা দিবস-২০২১ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ২৫ মার্চ বিকালে অনলাইনে জুম প্লাটফর্মে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সুইডেন, নরওয়ে এবং ফিনল্যান্ডে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অনলাইনে এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দূতাবাস প্রাঙ্গণ থেকে যোগদান করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ও অনলাইনে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের সমবেত শুদ্ধ স্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বানী পাঠ করেন দূতাবাস কর্মকর্তাগণ। এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে অনলাইনে উপস্থিত সুইডেন, নরওয়ে এবং ফিনল্যান্ডে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে গণহত্যা দিবসের দিবসের ওপর আলোকপাত করে উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

টোকিও

জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বৃহস্পতিবার যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের সাথে ‘গণহত্যা দিবস’ পালন করেছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয় কালো ব্যাচ ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে। পরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের শান্তি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করে দোয়া (মোনাজাত) করা হয়। এছাড়া দিবসটি স্মরণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বানী পাঠ করা হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে নিহত বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের।

অনুষ্ঠানে গণহত্যা দিবসের উপর নির্মিত তথ্যচিত্র ‘একাত্তরের গণহত্যা ও বধ্যভূমি’ প্রদর্শন করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংক্ষিপ্ত পরিসরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

ভিয়েতনাম

বাংলাদেশ দূতাবাস হ্যানয়, ভিয়েতনামে দিনটি স্মরণ করে বিশেষ প্রার্থনা, এক মিনিট নীরবতা পালন করে শোক প্রকাশ, রাষ্ট্রপতির বাণী, প্রধান মন্ত্রীর বাণী ও বিশেষ আলোচনা সভা ও একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। আলোচনার প্রারম্ভে রাষ্ট্রদূত শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যার নেতৃত্ব ও দিক নির্দেশনায় ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত সকল সংগ্রাম এবং দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় আমাদের মহান স্বাধীনতা। তিনি আরো স্মরণ করেন ২৫ মার্চ কালরাতের নৃশংস হত্যাকাণ্ডসহ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মম গণহত্যার শিকার সকল শহীদকে, জাতীয় চার নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থকসহ দেশের জনগণকে, যাঁদের অসামান্য অবদান আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীনতা।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মিজ সামিনা নাজ তার বক্তব্যে ২৫ মার্চ গণহত্যায় হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার চিত্র তুলে ধরেন। আলোচনা অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্ত/কর্মচারীগণ এবং ভিয়েতনামী গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং সর্বশেষে গণহত্যার উপর একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সৌদি আরব

সৌদি আরবের রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল রাতে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত ভয়াবহ গণহত্যাকে স্মরণ করে কয়েকশত মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) এ সময় মোমবাতি প্রজ্বলন করেন। দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারীগণ মোমবাতি প্রজ্বলন করে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন ২৫ মার্চ কাল রাতে নিহত সকল বীর শহীদদের। এ সময় সকল শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত ৩০ লাখ শহীদ ও সম্ভ্রম হারানো ২ লাখ মা বোনকে। মোমবাতি প্রজ্বলন শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

প্যারিস

একাত্তরের গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ প্রতীকীভাবে ৭১টি মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে দূতাবাসের অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং অন্যান্য পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রূহের মাগফেরাত ও দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

প্রবাসীদের অংশগ্রহণের লক্ষ্যে দূতাবাস অনুষ্ঠানটি ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজন করে। ফলে ফ্রান্সে বসবাসরত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রবাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গুণীজন অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন। সবশেষে গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মরণে এক মিনিট ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হয়।

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস’ পালন উপলক্ষে শহীদদের বিদেহী আত্মার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ, প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন ও মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্ত দেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশে সংঘটিত মর্মান্তিক গণহত্যার পঞ্চাশ বছর পূর্তির প্রাক্কালে এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে সকলকে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। মিশনে আয়োজিত উন্মুক্ত আলোচনায় মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

লন্ডন

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে গণহত্যা দিবস পলন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের সাথে যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম সভাপতিত্ব করেন। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ক অধ্যাপক ও সিনিয়র গবেষক ড. রওনক জাহান অনুষ্ঠানে মূল বিষয়ের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়ের লিবারেল স্টাডিজ বিভাগের প্রধান প্রফেসর জোয়ান ডিজেওর্জ-লুৎজ, আরিজোনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রফেসার ইয়াসমিন সাইকিয়া এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক কলেজের অধ্যাপক ড. সাচি দস্তগীর, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এ্যাফেয়ার্সের গবেষণা বিষয়ক পরিচালক ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের পরিচালক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সুলতান মাহমুদ শরীফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান গাউস সুলতান এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. আলীম চৌধুরীর কন্যা ডা. নুজহাত চৌধুরী অনুষ্ঠানে অন্যতম প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য দেন।

কুনমিং

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, কুনমিং, চীন-এ যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদার সাথে গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে কালো ব্যাচ ধারণ করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের রুহের মাগফেরাত, মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদ এবং ২৫ মার্চ কালোরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর জঘন্যতম ও নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞে নিহত সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জনিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন , বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ, আলোচনা অনুষ্ঠান এবং গণহত্যা দিবসের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।

ওয়াশিংটন ডিসি

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে গণহত্যা দিবস পালন করেছে। গণহত্যা দিবস উপলক্ষে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করা হয়। এরপর রাষ্ট্রদূত এম শহিদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

অনুষ্ঠান শেষে ২৫ মার্চ কাল রাতে শাহাদাত বরণকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দূতাবাস পরিবারের সদস্যগণ প্রজ্বলিত মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়।

ইত্তেফাক/বিএএফ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x