দিল্লিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

দিল্লিতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন
ছবি: সংগৃহীত।

নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন ও ভারতের আইসিসিআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেসন্স) এর যৌথ আয়োজনে মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ–ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর এক সাংস্কৃতিক ও নৃত্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দিল্লীর সুষমা স্বরাজ ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান এবং আইসিসিআর এর মহাপরিচালক স্বাধীনতার ৫০ বছর ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য দেন।

হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ–ভারত বন্ধুত্বের প্রশ্নে সবসময় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দেখিয়েছে। আমাদের দুই দেশের মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারত সরকারের পাশাপাশি ভারতের জনগণ যে ভূমিকা রেখেছে তার জন্যে বাংলাদেশের জনগণ চির কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার যখন ৫০ বছর তখন বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের তালিকায় উন্নীত হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টা আর দূরদৃষ্টি নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন আজ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত।

হাই কমিশনার বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বদলে যাওয়া বাংলাদেশে আজ মানুষের গড় আয়ু এবং ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। আমাদের দেশের অনেকেই ভারতে আসছেন কেনাকাটা এবং তাদের ছেলে মেয়েদের উন্নত পড়াশোনার জন্য।

আইসিসিআর এর মহাপরিচালক দীনেশ পাটনায়েক বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে আজ প্রমাণিত হয়েছে যে, ভারত – বাংলাদেশের বন্ধুত্ব পরীক্ষিত এবং এটা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও সুদৃঢ় হবে। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে দীনেশ পাটনায়েক বলেন, এই মহান নেতার কারণেই একটি দেশ স্বাধীন হয়েছে।

স্বাধীনতা, বাংলাদেশের অপরূপ সৌন্দর্য্যমন্ডিত প্রকৃতি, বাংলার আবহমান সংস্কৃতি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বীরত্বগাঁথা সংগ্রামের থিমের উপর সাংস্কৃতিক ও নৃত্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। নৃত্যানুষ্ঠানটি পরিচালনা করে ‘সৃষ্টি সাংস্কৃতিক’ সংগঠক।

ইত্তেফাক/বিএএফ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x