আমার মামা সব জানে
মামা :কীরে, মন দিয়ে পেপারে কী এত পড়ছিস?
ভাগ্নে :‘জন্ম সনদে বয়স কমানোর ফলে মেয়ের চেয়ে মাত্র দুই বছরের বড় বাবা’ চিন্তা করেছ ব্যাপারটা?
মামা :এত চিন্তা করার কী আছে? এটা তো হতেই পারে।
ভাগ্নে :কী বললে? মেয়ের চেয়ে মাত্র দুই বছরের বড় বাবা হতে পারে?
মামা :কেন হতে পারে না? মেয়েটার জন্মের পরেই না লোকটা বাবা হলো।
যেমন প্রশ্ন, তেমন উত্তর
সাংবাদিক :বিপুল বিনিয়োগ তবুও লোকসানের রেকর্ড দশ বছরে ১০,৯৮১ কোটি টাকা, এর কারণ কী?
রেল কর্তৃপক্ষ :তার আগে বলুন, বিনিয়োগ করলেই লাভ করতে হবে, এমন মানসিকতার কারণ কী?
সাংবাদিক :বিনিয়োগ করলে লাভ করতে হবে না?
রেল কর্তৃপক্ষ :রেল কি লাভ করার জায়গা নাকি? সব দেশেই তো রেল লোকসান দিয়ে চলে।
সাংবাদিক :লোকসানে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে রেল, এ ব্যাপারে কী বলবেন?
রেল কর্তৃপক্ষ :রেকর্ড তো করাই হয় ভাঙার জন্য।
একদিন ট্রেনে
এক ট্রেনে ডাকাতি হচ্ছে।
ডাকাত :ওই পোলা, তোর নাম কী?
প্রথম যাত্রী :আমার নাম সুমন।
ডাকাত :যা আছে সব দে।
(সঙ্গে যা ছিল, সুমন সব কিছু দিয়ে দিল)
ডাকাত :ওই বেডা, তোর নাম কী?
দ্বিতীয় যাত্রী :আমার নাম বজলু।
ডাকাত :তাকাইয়া কী দেখছ? দে, সব দে।
(বজলু সঙ্গে থাকা সব কিছু দিয়ে দিল)
ডাকাত :ওই বেডি, তোর নাম কী?
তৃতীয় যাত্রী :আমার নাম মনোয়ারা।
ডাকাত :মনোয়ারা? মনোয়ারা আমার মায়ের নাম ছিল। থাক, আপনারে কিছু দিতে হইব না।
(ডাকাত এবার চতুর্থ যাত্রীর দিকে মনোযোগ দিল)
ডাকাত :কীরে তোর নাম কী?
চতুর্থ যাত্রী :আমার নাম রানা। আমার মনটা খুব ভালো তো, তাই বাড়ির লোকে আদর করে মনোয়ারা বলে ডাকে।
কীসের নাকি কিসের?
চরম কিপটুস এক লোক কক্সবাজার গেছে সমুদ্র স্নান করতে। সমুদ্রে নামতেই বিরাট এক স্রোত তাকে টেনে নিয়ে গেল জলের ভেতরে। যেই সে ডুবে যেতে লাগল, সেই প্রার্থনা করা শুরু করল, আমি যদি বেঁচে যাই একশ গরিবকে দুই বেলা বিরিয়ানি খাওয়াব। তখনই একটা বড় স্রোত তাকে ধাক্কা দিয়ে সাগর তীরে ঠেলে দিল। কোনমতে উঠে দাঁড়িয়ে সে তখন বলল, হাহ, কীসের বিরিয়ানি? সঙ্গে সঙ্গে একটা বিশাল ঢেউ আবার তাকে টেনে নিয়ে গেল সাগরে। সে তখন চিত্কার করে বলতে লাগল, হায়রে বিধাতা, কথাও বোঝ না? আমি বলতে চাচ্ছি কিসের বিরিয়ানি? চিকেন নাকি খাসির কাচ্চি?
কী জানা দরকার?
শিক্ষক :বল তো, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে হলে সবার প্রথমে কী জানা দরকার?
ছাত্র :বাবার টাকার জোর আছে তো।
শিক্ষক :কেন?
ছাত্র :সরকারি কোনো কিছুতে চান্স না পেলে প্রাইভেটে পড়ার খরচ তার উপর র্যাগিং এড়াতে হোস্টেলে না থেকে মেসে থাকার খরচ না থাকলে চলবে?
আদর্শ আর পরীক্ষার খাতায় দাগ লাগতে দিই না
বাবা :তোর ক্লাস টিচার ডেকে নিয়ে পরীক্ষার খাতা দেখাল। একটা অক্ষরও লিখিসনি কেন পরীক্ষার খাতায়?
ছেলে :আমি কখনো আদর্শ আর পরীক্ষার খাতায় দাগ লাগতে দিই না।
বেলাজ, বেশরম মাইয়া
এক লোক গ্রাম থেকে শহরে এসেছে মোবাইল ফোন কিনতে। মোবাইল কিনে খুশি মনে বাড়ি ফিরলেও কয়েকদিন পরেই মুখ কালো করে চলে এলো ফেরত দিতে।
ক্রেতা :ভাই, কয়দিন আগে আপনার দোকান থিকা মোবাইলটা নিছিলাম। এইডা ফেরত নিয়া আরেকটা মোবাইল দেন।
দোকানদার :কেন কী হয়েছে? মোবাইল কি চলে না?
ক্রেতা :ফোন দিলেই একটা মাইয়া কয়, আমার মোবাইলে নাকি পর্যাপ্ত পরিমান ট্যাকা নাই।
দোকানদার :টাকা না থাকলে বলবে না?
ক্রেতা :কথা তো সেইটা না। টাকা নাই থাকতে পারে। কিন্তু আমার মোবাইলে যে ট্যাকা নাই, সেইটা ওই মাইয়া জানল কী কইরা? আর যেইখানেই ফোন দেই, যার কাছেই ফোন দেই, হেই বেলাজ, বেশরম মাইয়াই কেন কথা কয়? হের এত কিসের গরজ? বউ কইছে, হেই বেশরম মাইয়া মোবাইলে কথা কইলে আর ঘর করব না।
দোকানদার নির্বাক।
নিউটনের ভুল সূত্র
প্রথম বন্ধু :নোবেল পুরস্কারদাতা সিলেকশন টিম যদি একবার বাংলাদেশ ভিজিট করত, তাহলে অন্তত পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারটা বাংলাদেশের বাইরে যেত না।
দ্বিতীয় বন্ধু :কী করে?
প্রথম বন্ধু :পদার্থ বিজ্ঞানের জনক আইজ্যাক নিউটনের বিখ্যাত তিন সূত্রের প্রথম সূত্র ভুল প্রমাণ করে।
দ্বিতীয় বন্ধু :কিভাবে?
প্রথম বন্ধু :‘বাইরে, ভেতরে যেখান থেকেই বল প্রয়োগ করা হোক না কেন, স্থির, সচল সকল বস্তুই রাস্তায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থির ও অবিচল আটকে থাকবে, এই আবিষ্কার ও প্রত্যক্ষ প্রমাণের জন্য নোবেল পুরস্কার প্রাপ্য কি না, তুই-ই বল।
কী হবে এখন
প্রথম বন্ধু :পেঁয়াজের দাম তো কমেনি বরং বেড়েছে মরিচের দাম। এখন কী হবে বল তো?
দ্বিতীয় বন্ধু :কী আর হবে? ফেসবুকে হাহাকার শুরু হয়ে যাবে।
এ প্রজন্মের মাথা তোলা
বাবা :যা হোক, এতদিনে এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা মাথা তুলে চলতে শিখবে।
মা :কী বলো এসব? এতদিন কী ছেলেমেয়েরা মাথা তুলে চলত না?
বাবা :উহু, চলত না তো। সারাদিন মোবাইলে অনলাইন গেম খেললে মাথা তুলবে কখন শুনি?
মা :তাহলে এখন কী করে তুলবে শুনি?
বাবা :কেন, জানো না পাবজিসহ বেশ কয়েকটি অনলাইন গেম এখন বন্ধ হয়ে গেছে। মোবাইল থেকে চোখ এখন কিছুটা হলেও তো সরবে।
একদিন ক্লাসে
শিক্ষক :বল তো সমাস কাকে বলে?
ছাত্র :স্যার, প্রথমটুকু মনে নেই।
শিক্ষক :যতটুকু মনে আছে ততটুকুই বল।
ছাত্র :একে সমাস বলে।