বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় এস এম মাহমুদ সেতুকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সোমবার তার বিরুদ্ধে ৪ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। এর আগে, রবিবার বিকালে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ।
সেতুকে গ্রেফতারের পর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের ডিসি মাসুদুর রহমান জানিয়েছিলেন, রাজধানীর বাংলামোটর থেকে রোববার বিকেল ৫টার দিকে মাহমুদ সেতুকে গ্রেফতার করা হয়। আবরার হত্যা মামলার এজাহারে সেতুর নাম নেই। তবে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেওয়া অন্য আসামিদের বক্তব্যে সেতুর নাম উঠেছে। সে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানা গেছে, আবরারকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে ঘটনার সময় শেরেবাংলা হলের ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত থেকে ১৯ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। আবরার হত্যায় তার বাবা বরকত উল্লাহও চকবাজার থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: মঞ্চ মাতালেন আনিকা
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মাহমুদ সেতু জানান, তিনি বুয়েটের ১৪তম ব্যাচের ছাত্র। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে চলতি বছরের এপ্রিলের বিএসসি সম্পন্ন করেছেন। বুয়েটের শেরে বাংলা হলের ২০১২ রুমে অবস্থান করে মানিকগঞ্জের একটি ওষুধ কোম্পানিতে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আসা-যাওয়া করতেন সেতু।
উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় মাহমুদ সেতুকে নিয়ে মোট ২১ জনকে গ্রেফতার করা হল। মামলাটি তদন্ত করছেন ডিবির পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি