ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
ফুলবাড়ীয়া-শিবগঞ্জ হাট কালির বাজার সড়কের বাদশা মার্কেট পর্যন্ত সাত কিলোমিটার সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি গতিরোধক (স্পিড বেকার) রয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর যখন সড়কটি সংস্কার করে তখন অনুমতি ছাড়াই গতিরোধকগুলো তৈরি করে স্থানীয় লোকজন। আর এসব গতিরোধকের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আমতলী, চানাচুর মিল, সুবের দোকান, ইন্দিরাপাড়, ছলির বাজার, পাঞ্জানা, নাটুয়াপাড়া, ময়নার বাজার ও বাদশার মার্কেট এলাকায় ঐসব গতিরোধক তৈরি করা হয়েছে। একটি গতিরোধকের আগে বা পরে সতর্কতামূলক কোনো সাইনবোর্ড এবং সাদা রং নেই। এছাড়া বিভিন্ন সময় সড়কের পাশে বসে মাইকিং করে মসজিদ-মাদ্রাসার টাকা তোলার জন্য অস্থায়ী তিন থেকে চারটি গতিরোধক তৈরি করা হয়েছে।
সিএনজিচালিত অটোরিকশার যাত্রী বাচ্চু মিয়া বলেন, গতিরোধকের কারণে নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগে গন্তব্যে পৌঁছাতে। এছাড়া কিছু কিছু গতিরোধক বোঝার কোনো উপায় নেই। যে কারণে মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটে।
সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক আব্বাস আলী ও আনোয়ার হোসেন বলেন, সড়কে এসব গতিরোধকের কারণে এক ধরনের ভয় কাজ করে। এছাড়া গতিরোধকের সামনে গাড়ি থামানোর সময়, বিশেষ করে মোটর সাইকেলচালকরা পেছন থেকে অনেক সময় সজোরে ধাক্কা মারেন।
উপজেলা প্রকৌশলী সালমান রহমান রাসেল বলেন, গতিরোধকগুলো স্থানীয় লোকজন তৈরি করেছে। এসব গতিরোধক ভেঙে ফেলার জন্য উপজেলা পরিষদের সমন্বয় কমিটির সভায় বলা হয়েছে।