কাশ্মীর নিয়ে এবার চীন-ভারত বাগ্যুদ্ধ

 

ভারত-চীন সম্পর্কে মতের অমিল, মনান্তর এবং কথার খেলাপ নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু ডোকলাম সংঘাতের দীর্ঘ আড়াই বছর পর এই প্রথম তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েছে নয়াদিল্লি ও বেইজিং। বৃহস্পতিবার থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গণ্য হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ। এরপরই চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ভারতের এই পদক্ষেপ ‘বেআইনি এবং অন্তঃসার শূন্য’। খানিকটা হুমকির সুরেই বলা হয়েছে, ভারত যেন চীনের সার্বভৌমত্বকে সম্মান দেয়।

কালবিলম্ব না করে কড়া প্রত্যুত্তর দিয়েছে ভারতও। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংবাদিক সম্মেলনে মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেছেন, ‘চীনসহ কোনো দেশ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করবে, এটা আমরা আশা করি না। একইভাবে আমরাও অন্য কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মুখ বন্ধই রাখি।’ এখানেই না থেমে ঐ মুখপাত্র বলেন, ‘জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের একটা বড়ো এলাকা চীন দখল করে রেখেছে। পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের একটি অংশও বেআইনিভাবে দখলে নিয়েছে চীন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

গত দুই বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে ‘ওবর’ প্রকল্পের অন্তর্গত চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের বিরোধিতা করে চলেছে নয়াদিল্লি। ঐ করিডর পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের ওপর দিয়ে যাচ্ছে এবং সেটা পাকিস্তান বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে এটাই মূল যুক্তি ভারতের। যথারীতি তাতে এখনো কর্ণপাত করেনি বেজিং। আজও রবীশ কুমার বিষয়টির পুনরাবৃত্তি করে বলেছেন, ‘ভারত ক্রমাগত চীন এবং পাকিস্তানকে অর্থনৈতিক করিডরের প্রকল্পগুলো নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে এসেছে। ১৯৪৭ সাল থেকে ঐ এলাকা বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে পাকিস্তান।’