বরিশাল বিভাগে গত ১০ বছরে ৫৯৫ জন বিরোধী মতাদর্শী আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোতে অনুপ্রবেশ করেছে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্প্রতি এই তালিকা দলীয় নেতাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। সাংগঠনিক ও একাধিক গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে এ তালিকা করা হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে এসব নেতার অনুপ্রবেশ ঘটেছে। অনুপ্রবেশকারীদের যে তালিকা করা হয়েছে, তাতে নাম-ঠিকানা ছাড়াও বর্তমান পদবী ও আওয়ামী লীগে যোগদান করার আগে কোন রাজনৈতিক দল করতেন, সেসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এসব নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে। সূত্র জানায়, অশনি সংকেত পেয়ে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের নির্দেশে এসব অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান চলছে। দলের তৃণমূলের কোন কমিটিতে তাদের না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
চলমান শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে দলে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা করেছে আওয়ামী লীগ। গোয়েন্দা সংস্থা ও নিজস্ব বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের দিয়ে সারা দেশের তথ্য নিয়ে এ তালিকা প্রণয়ন করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে এ তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের দলীয় কার্যক্রম থেকে বাদ দেয়ার নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার দুপুরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমন তথ্য জানান। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানান, সেই তালিকা বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যাতে সারা দেশে এখন যে সম্মেলন হচ্ছে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত নতুন কমিটিতে বিতর্কিত কেউ না আসতে পারেন।
বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা ইত্তেফাককে কাছে এসেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে মো. রশিদ রাড়ী স্থানীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। এখন তিনি আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কাজ করছেন। তার পুরো পরিবার বিএনপির সমর্থক। মেহেন্দিগঞ্জের মো. দুলাল রাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য থেকে এখন যুবলীগের কর্মী। একই উপজেলায় মো. সাইফুল রাড়ী ও মো. রহিম খান ওয়ার্ড ছাত্রদলের সদস্য থেকে ছাত্রলীগের কর্মী। আলহাজ্ব রুবেল তালুকদার ও মাসুম জোমাদ্দার, কৃষক দলের সদস্য থেকে কৃষক লীগ নেতা হয়েছেন। মেহেন্দিগঞ্জে কৃষক দলের সদস্য থেকে আওয়ামী লীগের কর্মী হয়েছেন হাজী শাহ আলম হাওলাদার, হাজী বাবুল জোমাদ্দার, সুমন তালুকদার, বাবুল মাতুব্বর, খোকন চন্দ্র দাস, তুহিন খান, বাতেন হাওলাদার, আব্দুস সাত্তার, শহীদুল ইসলাম, আবুল হোসেন, শুকুর বেপারী, মো. নিজাম হাওলাদার, জলিল চৌকিদার, মিন্টু হাওলাদার, শহিদুল ইসলাম, মো. রিয়াজ উদ্দিন, ধলু বেপারী, জামাল হোসেন, আবুল বেপারী, মোক্তার সরদার, আখর রাড়ী, আলতাফ হোসেন রাড়ী, মাসুদ হাওলাদার, শাহাবালী মুন্সি, আলতাফ হোসেন রাড়ী, হাসান জোমাদ্দার, অহিদ চৌকিদার, সাইফুল ইসলাম বেপারী, রফিক রাড়ী, শহিদ রাড়ী, মো. জাকির, মো. নুরু নবী, মাসুদ রাড়ী, মো. আরিফ, সুজিত দাস, সঞ্জিব দাস, বিপ্লব দাস, অমল বেপারী, কৃঞ্চ বাড়ৈ, উজ্জ্বল দাস, দিলীপ নাথ, সুজন, তপন মৃধা, আবদুল আল নোমান তালুকদার। ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মো.কামাল কবিরাজ এখন আওয়ামী লীগ কর্মী। ইনউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম ফকির, ছাত্রদলের সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম টিপু, যুবদলের সদস্য মো. কামাল ঘরামী, মো. মাইদুল মোল্লা, মো. জহির কবিরাজ, মো. কাওছার কবিরাজ এখন আওয়ামী লীগের কর্মী। স্থানীয় বিএনপির সদস্য কামাল বকশী, শাহিন হাওলাদার, জুয়েল বকসী, বাহার উদ্দিন সিকদার, জসিম হাওলাদার, ফজলু রাঢ়ী, গিয়াস উদ্দিন বকসী, সাইফুল হাওলাদার, কামাল বেপারী, রুহুল আমিন বকসী, রিমন মৌলভী, রিয়াজ সিকদার, আমিনুল সিকদার, আমির রাঢ়ী, আলী বকসী, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন বেপারী, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আলী বকসী, ছাত্র দলের সদস্য সজিব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সুলতান মাহামুদ, যুবদলের সদস্য নাসির বকসি, ছাত্রদলের সদস্য রুবেল রাঢ়ী, কৃষক দলের সদস্য সেতুল রাঢ়ী-এরা সবাই এখন আওয়ামী লীগের কর্মী। মেহেন্দিগঞ্জে ছাত্রদলের সদস্য থেকে ছাত্রলীগের কর্মী হয়েছেন সাইফুল ইসলাম, আসাদ রাড়ী, রিনি বকসী, রিয়াজ হোসেন বকসী, সাহিদ হাসান রাড়ী। ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্লাত হোসেন এখন ছাত্রলীগ কর্মী। কৃষক দলের সদস্য জামাল বকসী এখন আওয়ামী লীগ কর্মী। যুবদলের সদস্য থেকে যুবলীগের সদস্য হয়েছেন সুমন মোল্লা ও আবুল সরদার। বিএনপি কর্মী থেকে আওয়ামী লীগের কর্মী হয়েছেন আলম বকসী, শওকত জমাদ্দার, সফিজল বকসী, শাহ আলম পালোয়ান, হযরত পালোয়ান, হাসান বকসী, মোসলেম মৌলভী, শফিক জোমাদ্দার, বারেক বাড়ি, খোকন রাঢ়ী, মান্নান মোল্লা, লিটন রাঢ়ী, শাহজাহান রাঢ়ী, মিল্লাত হোসেন, বাবুল বয়াতী। পৌর বিএনপির সদস্য আবুলখান ও জাফর বাছাড় এখন আওয়ামী লীগের কর্মী। পৌর বিএনপির পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম, কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন বাচ্চু, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম সিকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সহিদ বেপারী, স্থানীয় বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, বিএনপির সদস্য খোরশেদ দেওয়ান, স্থানীয় বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হারুন হাফেজ, জামায়াত সমর্থক ও স্থানীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুবদলের সদস্য বেল্লাল রাড়ী বিএনপির সদস্য অলিউদ্দিন দেওয়ান, যুবদলের সদস্য মাসুদ ঢালী, কৃষক দলের সহ-সভাপতি বাবুল খাঁ, যুবদলের সহ-সভাপতি সহিদ চৌকিদার, বিএনপির সদস্য কামাল গাজী, আব্দুল খালেক, সালাউদ্দিন, আজিম চাপরাশি, মতলেব চাপরাশি, খোকন বেপারী, নুরুল ইসলাম গাজী, স্থানীয় বিএনপির সহ-সভাপতি বাবুল বেপারী, বিএনপির সদস্য ওমর আলী, ইব্রাহিম বেপারী, মো. মনির হোসেন রাড়ী, মো. সুমন, আজিজুল হক, সাহেব মুন্সি, মনির হোসেন হাওলাদার, হাসান আলী আকন, মনির হোসেন রাড়ী, জয়নাল আবেদীন, আব্বাস জমাদ্দার, মাইদুল ইসলাম, দুলাল বাঘা, হাসেম সিকদার, মাসুদ আকন, এসাহাক সিকদার, মামুন হোসেন, খালেদ বিশ্বাস, বাবুল মন্সি, সোহেল মুন্সি, মো. আলী ঢালী, মজিবর ফকির, আব্দুল আজিজ গোলদার, শাজাহান গোলদার, ইদ্রিস গোলদার, রাকিব রাড়ী, হান্নান গোলদার, বজলুর রহমান গোলদার, আলমগীর গোলদার, বিল্লাল গোলদার, ফারুক গোলদার, রত্তন গোলদার, রাসেল গোলদার, সোহেল গোলদার, মো. আলী মৃধা, জসিম রাড়ী, তানভির হাসান, হিমেল বেপারী, জাবেল মাহামুদ, মো. রেজাউল, মো. ইউনুছ বিশ্বাস, মো. সিরাজ, মো. সোহেল, মো. সজিব, মো. মিঠু, স্থানীয় বিএনপির সহ-সভাপতি সিরাজ হাওলাদার, ইউনিয়ন কৃষক দলের সহ-সভাপতি কামাল মুন্সি, জামাল মুন্সি-এরা সবাই এখন আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মেহেন্দিগঞ্জে বিএনপির যেসব সদস্য আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন তারা হলেন- সেলিম রাড়ী, সজিব হাওলাদার, সোহেল রাড়ী, মোসলেম বেপারী, লতিফ সিকদার, আলমগীর বেপারী, সাত্তার খাঁন, সফিক হাং, তাহের মোল্লা, মোক্তার হোসেন খান, আব্দুল আজিজ আকন, জাফর বেপারী, সোহেল সিকদার; কাজিরহাট থানার মো. নাসির উদ্দিন খোকন; হিজলা থানার নোমান মোল্লা, সাবেক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক পারভেজ সরদার, মো: রেজাউল, সাবেক বিএনপি নেতা মো: রফিক প্যাদা, সাবেক হিজলা গৌরবদী ইউনিয়নের সহ সভাপতি মো. কাঞ্চন বেপারী, আনিছুর রহমান সিকদার, মো. শহিদ খান, বাবুগঞ্জ থানার সাবেক থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. আবুল হোসেন বাবুল বিশ্বাস; উজিরপুর থানার মো. কামাল মুন্সি, মো. কামাল হোসেন মোল্লা, সাবেক ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মো. জাকির সিকদার, মো. ইউসুফ হাওলাদার, মো. আনোয়ার হোসেন রাড়ী, মো. চুন্নু রাড়ী, জামাল সরদার, সোহেল খান, সাবেক বিএনপি বরিশাল জেলার (উত্তর) সহ সভাপতি মো. লোকমান হোসেন খান, পটুয়াখালী থানা ও জেলার সাবেক জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদার, কমলাপুর ইউনিয়নের সাবেক যুবদলের সহ সভাপতি মো. বেল্লাল ফরাজী, কমলাপুর ইউনিয়নের সাবেক যুবদলের সহ সভাপতি মো. খলিলুর রহমান, ছোট বিঘাই ইউনিয়নের সাবেক যুবদলের সহ সভাপতি মো. নুরুল হক মৃধা, ছোট বিঘাই ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি মো. কবির মৃধা, বদরপুর ইউনিয়নের সাবেক বিএনপির সহ সভাপতি মো. আ. হাকিম মাস্টার, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি মো. রাজু ভুঁইয়া, বদরপুর ইউনিয়নের বিএনপির সহ সভাপতি আ. মজিদ হাওলাদার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, গলাচিপা পৌরসভার গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. মোহিবুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন এলাহী, মো. রুহুল আমিন ভুইয়া, মো. সাইমুর রহমান, মো. ইসমাইল মিয়া; পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানার আ. মান্নান খান।
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মো. মকবুল দফাদার বিএনপি কর্মী থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, মো. গাজী আব্বাস উদ্দিন বাচ্চুর বিএনপি কর্মী থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। রাঙ্গাবালী থানার তারেক হাওলাদার ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, সোহেল মীর (পিতা-সালাম মীর) রাঙ্গাবালীর বিএনপির সহ-সভাপতি থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, সোহেল মীর (পিতা:মৃত সোবাহান) রাঙ্গাবালী বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, আবু হাসনাত আবদুল্লাহ উপজেলা বিএনপির সভাপতি থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, নুরুল আমিন সহ-সভাপতি থেকে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সেক্রেটারি, কামাল সিকদার বিএনপির সেক্রেটারী থেকে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি, হানিফ খান বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, জাকির গাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক থেকে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি।
বোরহানউদ্দিন থানার মো. আসাদুজ্জামান বাবুল অ্যাডভোকেট (চেয়ারম্যান) বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক থেকে আওয়ামী লীগের থানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. সোলায়মান মেম্বার বিএনপির সদস্য থেকে টবগী ইউপি আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. নুরুল আমিন বিএনপির সদস্য থেকে টবগী ইউপি আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. রহমত মেম্বার বিএনপির সদস্য থেকে কাচিয়া ইউপি আওয়ামী লীগ সদস্য, মো. হাসান মেম্বার বিএনপির সদস্য থেকে পক্ষিয়া ইউপি আওয়ামী লীগ সদস্য, মো. বশির মেম্বার বিএনপির সদস্য থেকে গংগাপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. রেদোয়ান চৌধুরী নয়ন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, মো. কবির কমিশনার বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. আনোয়ার মেম্বার বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. আনোয়ার মেম্বার বিএনপির সদস্য থেকে কুতুবা ইউপি আওয়ামী লীগ সদস্য, মো. আ. বারেক কবিরাজ বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. সরোয়ার হাওলাদার বিএনপির কৃষিক দলের সভাপতি থেকে আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. নাসির উদ্দিন বিএনপি টবগী ইউপির সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে আওয়ামী লীগ সদস্য, মো. রিয়াজ উদ্দিন শাহিন যুবদলের সহ-সভাপতি থেকে আওয়ামী লীগের সদস্য।
তজুমদ্দিন থানার ছলিম পাটোয়ারি বিএনপির সম্ভুপুর ইউপি সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, মোকছেদ পাটোয়ারী বিএনপির সদস্য থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, সফিক পাটোয়ারী বিএনপি সদস্য থেরে আওয়ামী লীগ কর্মী, গিয়াস পাটোয়ারী বিএনপি সদস্য থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, মোজাম্মেল হোসেন বিএনপি সদস্য থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, মিজান বিএনপি সদস্য থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, মো. মোফাজ্জল বিএনপির সমর্থক, মো. ইউনুস হাজী বিএনপি সমর্থক।
লালমোহন থানার ইমাম কমিশনার থানা যুবদলের সভাপতি থেকে থানা যুবলীগের সভাপতি, মিজান হাওলাদার থানা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন, কামাল কসাই পৌর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে ছাত্রলীগ কর্মী, জাকির হোসেন (সাবেক চেয়ারম্যান) বিএনপি নেতা থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, হাসেম মাস্টার বিএনপির সদস্য থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, আলমগীর কসাই শ্রমিক দলের সদস্য থেকে শ্রমিক লীগের কর্মী, হারুন অর রশিদ যুবদলের নেতা থেকে উপজেলা যুবলীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট, লাভু পঞ্চায়েত শ্রমিক দলের সেক্রেটারী ছিলেন। লালমোহন থানার সাবিনা ইয়াসমিন বিএনপি নেত্রী থেকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, আবুল বাশার সেলিম বিএনপি সদস্য থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, হাসানুজ্জামান সোহাগ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী, আসাদুল ইসলাম সুজন বিএনপি কর্মী থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী।
শশীভূষন থানার মুজাম্মেল মেম্বার বিএনপি কর্মী থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য, দুলাল মিলিটারী বিএনপি কর্মী থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ওমর ফারুক জামায়াত কর্মী থেকে রসুলপুর ইউনিয়ন ওলামা লীগের সদস্য, মো. হাসান মিন্টু বিএনপি কর্মী থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য, আবুল কাসেম বিএনপি কর্মী থেকে রসুলপুর ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি, আলতাফ হোসেন মীর বিএনপি কর্মী থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটির সদস্য এবং শশীভূষন বাজার সভাপতি, মো. আওলাদ হোসেন বিএনপি কর্মী থেকে উপজেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি, মো. আ. সালাম বিএনপি কর্মী থেকে আওয়ামী লীগের এওয়অজপুর ইউপির ১নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক, সিডু মাঝি বিএনপি কর্মী থেকে এওয়াজপুর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। শশীভূষন থানার ইউনুস মিয়া রসুলপুর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক থেকে রসুলপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আজহার মিয়া বিএনপি নেতা থেকে আওয়ামী লীগের রসুলপুর ইউপির সহ-সভাপতি, কামাল মাস্টার বিএনপি কর্মী থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীদের সদস্য, মুজাম্মেল বিএনপি কর্মী থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। শশীভূষন থানার মো. হান্নান বিএনপি কর্মী থেকে আওয়ামী লীগ সদস্য, মনির হোসেন বিএনপি কর্মী থেকে শশীভূষন থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক, আমিরুল ইসলাম বিএনপি কর্মী থেকে ঢাকা মিরপুর বাংলা কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক, প্রভাষক মনির বিএনপি কর্মী থেকে জাহানপুর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. আলী বিএনপি কর্মী থেকে জাহানপুর ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী, মো. ফারুক বিএনপি কর্মী থেকে আওয়ামী লীগ সদস্য, মো. হাফেজ মেম্বার বিএনপি কর্মী থেকে আওয়ামী লীগ সদস্য, মো. সলেমান পাটোয়ারী বিএনপি কর্মী থেকে জাহানপুর ইউপি কৃষক লীগের সভাপতি, কামাল মেম্বার বিএনপি কর্মী থেকে আওয়ামী লীগের সদস্য, আ. রব হাজী বিএনপি কর্মী থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক।
থানা চরফ্যাশনের ইকবাল হোসেন লিখন বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, মো. মফিজ পাটোয়ারী বিএনপি কর্মী থেকে উপজেলা মত্স লীগের সাধারণ সম্পাদক, এমরান সিকদার বিএনপির সদস্য থেকে আসলামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, জাহাঙ্গীর হোসেন নিয়াজি বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা মত্স্য লীগের সভাপতি, সফিউল্লাহ পলোবান বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। চরফ্যাশন থানার মো. মনির উদ্দিন বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক, ওবায়দুল হক রতন বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, নুরে আলম মাস্টার বিএনপির সদস্য থেকে আসলামপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি, আশ্রাফুল আলম ফোটন বিএনপির সদস্য থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
.পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিএনপি থেকে মো. আবুল হোসেন লাভলু, মো. নজরুল ইসলাম, মো, জাকির হোসেন নিজাম আওয়ামী লীগে, জামায়াতের মো. সারোয়ার শরীফ (ধানীসাফা ইউপির ৫ নং ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক) , মীর তারেক মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, মজিবর রহমান মোল্লা (ইউনিয়র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক), মো. সুলতান (ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি), রাজু জমাদ্দার, মো. মিজান যুবলীগে এবং জামায়াতের নজরুল ইসলাম উপজেলা যুবলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন।
বরিশালের কাউনিয়ায় বিএনপি থেকে মো. তৌহিদুল ইসলাম বাদশা, মো. কাওছার বিশ্বাস, আওলাদ মোল্লা, মো. ইব্রাহিম হাওলাদার, মো. নাসিরউদ্দিন হাওলাদার আওয়ামী লীগে, ঝালকাঠির বিএনপি নেতা একেএম জাকির হোসেন (উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), মো. শাহ আলম মীর বহর (৪ নং কেওড়া আ:লীগ সেক্রেটারি), মো. কামাল হোসেন মৃধা (৪ নং কেওড়া ইউপি আ:লীগ সেক্রেটারি) মো. মাসুম হাওলাদার (৪ ও ৫ নং কেওড়া ইউপি ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক), মো. জাকির হোসেন তালুকদার (কেওড়া ইউপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক), এইচএম আখতারুজ্জামান বাচ্চু (নলছিটি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক),
ঝালকাঠির নলছিটির জাতীয় পার্টি থেকে মো. এনামুল হক শাহিন (২ নং মগড় ইউপি আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি), মো. মিজান খলিফা, মো. আল আমিন হাওলাদার, এমএ নান্না মিয়া (ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক), মাহাবুব আলম আকন, বশির হাওলাদার, জলিল হাওলাদার, আওয়ামী লীগে এবং নলছিটির বিএনপির মো. আনোয়ার হোসেন (ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি), জামায়াতের মো. মামুন হাওলাদার যুবলীগে, কাউনিয়ায় বিএনপি থেকে মো. রাসেল মুন্সী (সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি)।
এছাড়া ভোলার দ: আইচার আ: মান্নান, মো. মনির হোসেন হাওলাদার, মো. বেল্লাল হাওলাদার যুবলীগে, মো. মিজান পঞ্চায়েত (অধ্যক্ষ নজরুল নগর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক) , জাকির হোসেন হাওলাদার (অধ্যক্ষ নজরুল নগর যুবলীগ সভাপতি), ভোলার মনপুরার মো. মনির হাওলাদার, মো. আব্দুল মোমিন, মো. আমিন মেম্বার, মো. আব্বাস মাঝী, মো. আবুল কালাম, মো. ইলিয়াস চৌধুরী ওজিউল্ল্যা সরদার যুবলীগে যোগ দিয়েছেন।
ভোলার দক্ষিণ আইচার বিএনপি থেকে মো. ইসমাইল ফকির, কালাম কসাই, মো. হেলাল তালুকদার, মো. আবুল কাসেম, আ: সহিদ, মো. সফিকুল ইসলাম, আ: মালেক, মো. খোকন মজুমদার, মো. বাবুল ফকির, মনজুর আলম, মো. কালাম চৌকিদার, বাশার ফকির, মো. মনির, মো. জাফর, মো. আকবর, সত্তার মোল্লা, মো. হোসেন, মো. রেজাউল, মো. সোহাগ, মো. বেল্লাল মোল্লা আওয়ামী লীগে, মো. ফিরোজ আলম স্বপন পঞ্চায়েত (অধ্যক্ষ নজরুল নগর ইউপি আওয়ামী লীগ সিনি: সহ-সভাপতি), মো. তোফায়েল আহমেদ, মো. মোশারেফ হাওলাদার, ভোলার মনপুরার মো. আলাউদ্দিন হাওলাদার (অধ্যক্ষ নজরুল নগর ইউপির আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক), মো. অলিউল্ল্যা, মো. আ: আজিজ, মো. কালাম, মো. মোশারফ, মো, সোহেল, রিপন, স্বপন, মো. আমজাদ, মো. সামসুদ্দিন, মো. সাহাবুদ্দিন মাস্টার, মো. আব্দুর সাত্তার, ইয়াকুব আলী চৌধুরী, মো. হুমায়ুন কবির (সাংস্কৃতিক সম্পাদক), মো. মফিজুল ইসলাম, মো. সালাউদ্দিন (আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক), মো. লোকমান বেপারী, মো. শাহজাহান, মো. আজাদ, মো. কামাল, মো. আ: সহিদ, মো. জাফর, মো. ফারুক, আ: বাসেদ, মো. রাসেল হাওলাদার, (ক্রীড়া সম্পাদক) , মো. আব্বাস আওয়ামী লীগে যোগ দেন। বিএনপি থেকে ভোলার মনপুরার মোশারফ হোসেন তপু, মো. সাইফুল পাটোয়ারী, মো. ইউছুব পাটোয়ারী, মো. সৈকত হোসেন, মো. রিয়াজ, মো. মনির, ছাত্রলীগ কর্মী এবং বিএনপি থেকে ভোলার মনপুরার মো. বাহার স্বেচ্ছাসেবক লীগে যোগ দিয়েছেন।
ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বরগুনার বামনা থানার গোলাম মোস্তফা এখন আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া বামনার বিএনপির কর্মী গোলাম মাওলা হানিফ, মোসাঃ তাসলিমা, মোসাঃ খাদিজা বেগম, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল শুক্কুর জোমাদ্দার, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন চৌধুরী, বিএনপির কর্মী মোস্তফা কামাল, তালতলীতে বিএনপির সমর্থক মো. আলম কবির, জামায়াতের কর্মী আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আজমল খান-এরা সবাই এখন আওয়ামী লীগের কর্মী।