জেএসসি-জেডিসি শুরু

প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৬৬১৯৪, শিক্ষকসহ বহিষ্কার ৩৯

গতকাল শনিবার থেকে শুরু হয়েছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি)। পরীক্ষার প্রথম দিনে ১০টি শিক্ষা বোর্ডে ৬৬ হাজার ১৯৪ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এছাড়া অনিয়মের দায়ে ময়মনসিংহে এক শিক্ষকসহ সারাদেশে ৩৮ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে তিন ঘণ্টা জেএসসি বাংলা এবং জেডিসিতে  কোরান মজিদ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, জেএসসিতে ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ১৩ হাজার ১৯২ জন, রাজশাহীতে ৪ হাজার ৮২১ জন, কুমিল্লায় ৪ হাজার ৬৭ জন, যশোরে ৪ হাজার ৪৪০ জন, চট্টগ্রামে ৩ হাজার ৪৬১ জন, সিলেটে ২ হাজার ৯৯৬ জন, বরিশালে ৩ হাজার ১৬৩ জন, দিনাজপুরে ৫ হাজার ৮২৪, ময়মনসিংহে  ২ হাজার ৯৯৮ ও মাদরাসা বোর্ডে ২১ হাজার ২৩২ শিক্ষার্থী।

পরীক্ষায় ঢাকায় বহিষ্কার হয়েছে দুই শিক্ষার্থী, রাজশাহীতে পাঁচ, কুমিল্লায় দুই, বরিশালে আট, দিনাজপুরে এক, ময়মনসিংহে ১৮ শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষক এবং মাদরাসায় দুই শিক্ষার্থী। এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন। এদের মধ্যে জেএসসির পরীক্ষার্থী ২২ লাখ ৬০ হাজার ৭১৬ জন ও জেডিসিতে ৪ লাখ ৯৬৬ জন। সারাদেশে মোট ২৯ হাজার ২৬২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

পরীক্ষার প্রথম দিনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি কেরানিগঞ্জের জিঞ্জিরা পিএম পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব রটনাকারীদের শনাক্তকরণে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। যারা এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, পাবলিক পরীক্ষা চলার সময় কোচিং সেন্টার পরিচালনাকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন সময় সব ধরনের কোচিং বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার শিক্ষক কানিজ ফাতেমার বিরুদ্ধেও শিগগিরই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।