দুর্নীতি নিয়ে কথা বলা বিএনপি নেতাদের মুখে শোভা পায় না :নাসিম

আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, দুর্নীতি নিয়ে কথা বলা বিএনপি নেতাদের মুখে শোভা পায় না। কারণ, তারা ক্ষমতায় থাকতে বাংলাদেশ পাঁচ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাদের নেত্রী দুর্নীতির কারণে এখন জেলে।

গতকাল শনিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন সফল করতে গঠিত দলের অভ্যর্থনা উপকমিটির উদ্যোগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অভ্যর্থনা উপকমিটিতে মোহাম্মদ নাসিমকে আহ্বায়ক এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনিকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

‘দুর্নীতির কারণে আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়ে যাবে’ মর্মে সম্প্রতি বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র নেত্রী যিনি নিজের দল থেকে দুর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরু করেছেন। অতীতে এই সাহস কেউ দেখাতে পারেনি। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তারা দুর্নীতিবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনাই একমাত্র নেত্রী যিনি সাহস ও দৃঢ়তা নিয়ে নিজঘর থেকে দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল হত্যার বিচার করছেন। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে কোনো হত্যার বিচার করেননি; বরং খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্ত পর্যন্ত তারা করেনি। এই কারণেই আজ তাদের এই অবস্থা। নিজেদের ভুলের কারণে বিএনপি আজ ধ্বংস হতে বসেছে। তাদের মুখে আইনের শাসনও শুনতে চাই না।

অভ্যর্থনা কমিটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে কমিটির সদস্য সচিব ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ২১তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষ্যে কোনো বিদেশি মেহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। আগামী বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবর্ষ পালন করা হবে। সেই অনুষ্ঠানে বিদেশিরা আসবেন। তবে এখানে দায়িত্বরত বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা থাকবেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াজুল কবির কাওছার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সংসদ সদস্য ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।