এক দিন পর ফের দরপতন পুঁজিবাজারে

টানা দরপতনের পর সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার শেয়ারবাজারে মূল্যসূচক কিছুটা বাড়লেও গতকাল দ্বিতীয় দিন সোমবার ফের সূচকের পতন হয়েছে। সেইসঙ্গে লেনদেনও কমেছে। অব্যাহত দরপতনের কবলে পড়ে কয়েক মাস ধরেই পুঁজি হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের মতো কর্মসূচিও পালন করেছেন। এমনকি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে সংবাদ সম্মেলনও করা হয়েছে। বাজারে স্থিতিশীলতা আনা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকারের  পক্ষ থেকেও কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বাজারে এর কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না।

গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৫৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৮টি প্রতিষ্ঠানের, কমেছে ২৪২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির দাম। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৬৭৮ পয়েন্টে। অপর দু্ই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬২৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো—ন্যাশনাল টিউবস, ব্র্যাক ব্যাংক, নরদার্ন জুট, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, ভিএফএস থ্রেড, স্টাইল ক্র্যাফট, ফরচুন সুজ, সোনারবাংলা ইনসিওরেন্স, প্রাইম ব্যাংক ও খুলনা পাওয়ার।

দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো—অ্যাপোলো ইস্পাত, এটলাস বাংলা, বিজিআইসি, মোজাফফ্র হোসেন স্পিনিং, প্যারামাউন্ট ইনসিওরেন্স, লিব্রা ইনফিউশন, মার্কেন্টাইল ইনসিওরেন্স, শমরিতা হসপিটাল, ন্যাশনাল টি কোং ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল। অন্যদিকে দর কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো—ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, তুংহাই ইন্ডাস্ট্রিজ, ইয়াকিন পলিমার, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, ইউনাইটেড এয়ার, ইউনিয়ন ক্যাপ, ইমাম বাটন, সেন্ট্রাল ফার্মা, আমান কটন ও অলিম্পিক এক্সেসরিজ।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ২২৩ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ১১ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এ সময়ে সিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ২৬৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৪টির, কমেছে ১৬২টির এবং অপরিবর্তিত      রয়েছে ২৭টির।