চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ১১ এবং ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত হালিশহর জনবহুল এলাকা। বর্তমানে ১১ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ কাট্টলী ফইল্যাতলী বাজার থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত টেম্পো এবং বি ব্লক ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কবরস্থান থেকে আগ্রাবাদ পর্যন্ত লেগুনা বা ম্যাক্সি চালু আছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, হালিশহর হাউজিং এস্টেট থেকে জাকির হোসেন রোডের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাতায়াতের জন্য গণপরিবহনের কোনো ব্যবস্থা নেই। জাকির হোসেন রোডে চক্ষু হাসপাতাল, পরিবেশ অধিদপ্তর, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল, ইউএসটিসি, বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র, চিড়িয়াখানা, রেলওয়ে ট্রেনিং সেন্টার, চট্টগ্রাম অ্যানিমেল সাইন্স বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, বিজিএমইএ ভবনে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খুলশী থানা, সরকারি মহিলা কলেজ, ওমরগণি এমইএস কলেজ, ইস্পাহানী স্কুল, পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল, নাক-কান-গলার বিশেষায়িত হাসপাতাল, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ভারতীয় দূতাবাসসহ আরো অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যা আমাদের এই এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু দুঃখের বিষয়, উন্নয়নের এমন যুগে আমাদের হালিশহর হাউজিং এস্টেট এলাকা থেকে জাকির হোসেন রোড হয়ে জিইসি মোড় পর্যন্ত মাত্র ছয়-সাত কিলোমিটার রাস্তা যাতায়াতে তিনবার বাহন পরিবর্তন করতে হয়। এতে সময় এবং অর্থের অপচয় হচ্ছে কেবল। হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী, চাকরিজীবী, অসুস্থ রোগী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষগুলোকে শুধু ৩০ মিনিটের এই রাস্তায় তিনটি গাড়ির জন্য ব্যয় করতে হয় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। সীমাহীন এই ভোগান্তি হালিশহরবাসীর জন্য অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। এ অবস্থায়, হালিশহর এ বক বাসস্ট্যান্ড থেকে সাগরিকা-পাহাড়তলী থানা হয়ে আকবরশাহ দিয়ে জাকির হোসেন রোড পর্যন্ত রুটে গণপরিবহণের ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. মামদুদ, হালিশহর, চট্টগ্রাম