দশমিনা শহরে দানব ট্রলি!

দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা শহরের প্রধান সমস্যায় পরিণত হয়েছে ট্রলি (ট্রাফে ট্রাক্টর)। স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা সড়কে চলাচল করছে আতঙ্ক নিয়ে। দখল হয়ে যাচ্ছে উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রের প্রধান সড়কগুলো।

জানা গেছে, কৃষিকাজে ব্যবহারের অনুমতি থাকলেও পটুয়াখালীর দশমিনায় অবৈধভাবে সড়ক দখল করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ট্রলি (ট্রাফে ট্রাক্টর)। এতে ছোটো-বড়ো দুর্ঘটনা ঘটছে। অন্যদিকে নতুন সড়কে এই যান চলাচল করায় অল্পদিনেই ক্ষতবিক্ষত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই ট্রলিই (ট্রাফে ট্রাক্টর) যেন সড়কের দানব। নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী অবৈধভাবে ইট, বালু, সিমেন্ট, রডসহ ভারি মালামাল পরিবহন করে থাকে এই ট্রলি দিয়ে। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখে যায়, ট্রলি চলাচলের কারণে নির্মাণের পর মাত্র এক বছর যেতে না যেতেই উপজেলা সদরের নলখোলা বন্দরের বাসস্ট্যান্ড থেকে রনগোপালদি ব্রিজ পর্যন্ত সড়কটি পুরোপুরি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে। প্রধান সড়ক অতিক্রমের সময় সড়কে বালু ও সিমেন্ট পড়ে দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। ট্রলি (ট্রাফে ট্রাক্টর) চালকদের কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার অভিযোগ রয়েছে। চলাচলে বেপরোয়া গতি।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমাদের এলজিইডির সড়কগুলো এ উপজেলায় ১০ টন মালামাল পরিবহনের যোগ্য করে নির্মাণ করা। কিন্তু অবৈধ ট্রলির কারণে সড়কগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম জালালউদ্দিন জানান, আবেদন-নিবেদন করে এসব ট্রলি বন্ধ করা যায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুভ্রা দাস বলেন, ট্রাফে ট্রাক্টর বন্ধ করার সুযোগ আছে। এটা সড়কে চলাচল করা অবৈধ। ট্রলির মালিক ও চালকরা কোনো নিয়মনীতি মানছেন না।