সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় চার্জশিট দাখিল

ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে অভিযুক্ত করে গতকাল বুধবার অস্ত্র আইনের মামলায় চার্জশিট দিয়েছে র্যাব। ঢাকা মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই নিজাম উদ্দিন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৮ অক্টোবর পৃথক অস্ত্র মামলায় ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষী এবং ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে র্যাব।

চার্জশিটে বলা হয়, গত ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী মাদকসেবী এনামুল হক আরমানকে আটক করা হয়। আটকের সময় আরমান মাদকাসক্ত থাকায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ঐ সময় সম্রাট জানান, ঢাকার কাকরাইল তার রাজনৈতিক অফিসে অনেক মাদক ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র মজুত রয়েছে।

অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, সম্রাটের দেওয়া তথ্য মতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে বেলা একটার দিকে আসামির কাকরাইল অফিসের ৪র্থ তলায় তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। ঐ ফ্ল্যাটের উত্তর দিকের পশ্চিম পাশের বেড রুমের বিছানার মাথার পাশে জাজিমের নিচ থেকে একটি ৭.৬৫ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৫টি তাজা গুলি এবং ঘরটি থেকে ২টি ইলেকট্রিক মেশিন ও ২টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। চার্জশিটে আরো বলা হয়, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট বৈধ কাগজপত্র এবং লাইসেন্স বিহীন অস্ত্র নিজ হেফাজতে এবং নিয়ন্ত্রণে রাখায় তার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। আসামি সম্রাট উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিন করে তার মোট ২০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। গত ১৫ অক্টোবর অস্ত্র মামলায় ৫ দিন ও মাদক মামলায় ৫ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। ২৪ অক্টোবর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।