এবার শীতে ৪ হাজার কেজি মধু সংগ্রহের লক্ষ্য ফয়সালের

মাস্টার্স পাস করেও চাকরির আশা না করে বাণিজ্যিকভিত্তিতে মধু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন ফয়সাল হোসেন। এবার শীতকে টার্গেট করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া গ্রামে ২৫০টি মৌমাছির বাক্স বসিয়েছেন এই খামারি। ফয়সালের বাড়ি বাগেরহাট জেলার ষাটগাছা গ্রামে।

কারিগরি কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই ২০০৯ সালে মাত্র ৩০টি মৌমাছির বাক্স নিয়ে শুরু হয় ফয়সালের পথচলা। এখন তার আড়াই শতাধিক মধুর বাক্স রয়েছে, যেগুলোর প্রতিটির মূল্য ৭/৮ হাজার টাকা। ফয়সাল জানান, ১০ বছর যাবত্ তিনি এই স্থানে মধু চাষ করেন। শখের বসে প্রথমে মধু চাষ শুরু করেন। পরে সেই শখ পেশায় পরিণত হয়। তিনি বলেন, গত মাসের শুরুর  দিকে এখানে এসেছি। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে মধু আহরণ শুরু হয়ে তা জানুয়ারির মাঝামাঝি গিয়ে শেষ হবে। বর্তমানে মৌমাছির খাবার হিসেবে চিনির সঙ্গে মধু মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বাক্সে ৫ থেকে ৬ হাজার মৌমাছি থাকে। প্রতিটি মৌমাছি প্রায় ৩ মাস জীবিত থাকে। তবে এদের বংশবৃদ্ধিও খুব তাড়াতাড়ি হয়। সাত দিন পরপর প্রতিটি বাক্স থেকে প্রায় তিন কেজি মধু আহরণ করা যায়। সেই হিসেবে এবার শীতে মানিকগঞ্জ থেকে প্রায় ৪ হাজার কেজি মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। প্রতি কেজি মধু বিক্রি হয় ৩০০ টাকা দরে ।