সিনেমায় অভিনয় দিয়ে খুব কম আলোচনায় আসেন পরিনীতি চোপড়া। এছাড়া বক্স অফিসে কাঁপানোর মতো উল্লেখযোগ্য সিনেমাও নেই তার। তবে গত কয়েক বছরে অনেকটাই বদলেছেন পরিনীতি। এই বছর নতুন একটি সিনেমা দিয়ে বেশ আলোচনায় তিনি। যদিও সিনেমার শুটিং এখনো শেষ হয়নি। তবে শুটিংয়ের প্রস্তুতি দিয়েই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন তিনি। নিজের অন্যান্য সব কাজ বাদ দিয়ে এখন স্টেডিয়ামে দিন কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। সাইনা নেহওয়ালের বায়োপিকের জন্য প্রশিক্ষণে রয়েছেন পরিনীতি। আর এজন্যই তার ঠিকানা এখন নভি মুম্বাইয়ের এক স্টেডিয়াম।
সাইনা নেহওয়ালের বায়োপিক নিঃসন্দেহে বলিউডের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম। শুটিং শুরু হতেই সমস্যা বাসা বাঁধে। সিনেমার মুখ্য চরিত্রে যেখানে শ্রদ্ধা কাপুরের অভিনয় করার কথা ছিল সেই চরিত্রের জন্য বেছে নেওয়া হলো পরিনীতি চোপড়াকে। আর তারপর থেকেই কোমর বেঁধে ব্যাডমিন্টন কোর্টে প্রশিক্ষণ নিতে নেমে পড়েছেন পরিনীতি। বাড়ি থেকে গিয়ে এই প্রশিক্ষণ করা গেলেও এই বাড়তি সময় ব্যয় করতে চাইছেন না তিনি।
তাই অন্যান্য শিডিউল ঠিক করে প্রায় ১৫ দিন নভি মুম্বাইয়ের রামশেঠ ঠাকুর ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টশ কমপ্লেক্সই আপাতত হয়ে উঠেছে অভিনেত্রীর ঠিকানা।
পরিনীতি বলেন, ‘সাইনা নেহওয়ালের চরিত্রে অভিনয় করাটা আমার জন্য খুব সহজ বিষয় নয়। এছাড়া আমার ওপর পরিচালকের যে আস্থা রয়েছে সেটি শতভাগ দিতে হলে আমাকে এই পরিশ্রমটুকু করতে হবে। এতটা পরিশ্রম কোনো সিনেমায় হয়নি আমার। সেই জায়গা থেকে এটি বড় একটি চ্যালেঞ্জ আমার জন্য।’
এই প্রথম কোনো বায়োপিকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। স্টেডিয়ামেই সাইনা নেহওয়ালের বায়োপিকের শুটিং চলছে।
আর তাই এখানেই রাতদিন এক করে শুটিং-ট্রেনিং দুই-ই চলছে অভিনেত্রীর। পরিনীতি আরো বলেন, ‘এটা আসলে আমাদের একটা স্ট্যাটেজি। শুটিংয়ের মাঝে যাতে বাড়তি সময় নষ্ট না হয়, তাই স্টেডিয়ামেই থাকছি আপাতত। কারণ সিনেমার বেশকিছু দৃশ্যে আমার পারফরমেন্স একেবারে সাইনার মতোই হওয়া দরকার। তাই ক্যামেরার সামনে যথাযথ পারফরমেন্স দিতে কোনোরকম কসরত করতে ছাড়ছি না।’ এছাড়া সাইনার জুতোতে পা গলাতে দরকার আরো মনোনিবেশ। তাই শুটিং চলাকালীন সবার থেকে আলাদা থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন পরিনীতি চোপড়া।