ডা. সঞ্চিতা বর্মন
‘ওভারিতে সিস্ট’ শব্দটির সঙ্গে এখন অনেকেই পরিচিত। কারণ বর্তমানে প্রায় পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ বন্ধ্যাত্ব ওভারিতে সিস্ট হওয়ার জন্য দেখা যাচ্ছে এবং দিন দিন এ সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও ধারণা করা হয়, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং বংশগতি অন্যতম কারণ। মেয়েদের শরীরে কোনো কারণে, এন্ড্রজেন (পুরুষ হরমোন) বেশি তৈরি হলে ওভারিতে সিস্ট দেখা দিতে পারে।
ওভারিতে সিস্ট হওয়ার পাশাপাশি আরো কিছু উপসর্গ দেখা যায়। যেমন—অনিয়মিত মাসিক, মুখে, গলায়, বুকে অতিরিক্ত লোম, গলায় কালো ছাপ, ওজন আধিক্য ইত্যাদিসহ আরো নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা।
ওভারিতে সিস্টের সঙ্গে অন্য শারীরিক সমস্যাও দেখা দিলে তখন একে ‘পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রম’ বলা হয়। এই ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পাশাপাশি যথাযথ পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে চিকিত্সা গ্রহণ করতে হবে। ওভারিতে সিস্টের আকার দিন দিন বৃদ্ধি পেলে বা সিস্ট আকারে বড়ো হলে অপারেশনেরও প্রয়োজন হতে পারে।
লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ