ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুই দফা নামাজে জানাজা শেষে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে গ্রামের বাড়িতে মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সংসদ সদস্য মইন উদ্দীন খান বাদল। গতকাল শনিবার বাদ আসর চট্টগ্রামের দারুল ফালাহ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
এর আগে গতকাল সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মরহুম বাদলের প্রথম জানাজা হয়। এখানে জানাজার পর রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয় এই মুক্তিযোদ্ধাকে। পরে তার কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এবং পরিবারের পক্ষ থেকে কথা বলেন তার ছেলে তাইমুর নূর। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সামরিক সচিব এস এম শামিম উজ জামান মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বাদলের কফিনে। এ সময় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়াও শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশ জাসদের কার্যকরী সভাপতি বাদলের প্রতি। সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে সংসদের হুইপরাও ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান জাপা নেতা ফখরুল ইমাম, এমপি। ১৪ দলের পক্ষে জোটের মুখপাত্র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
সংসদ ভবনে বাদলের জানাজায় আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ফজলে নূর তাপস, এ বি তাজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, নজরুল ইসলাম বাবু প্রমুখ। জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতারও উপস্থিত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার ভারতের বেঙ্গালুরুতে নারায়ণ হূদেরাগ রিসার্চ ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান বাদল। শুক্রবার রাতে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়।