‘সুবর্ণতটে :অফ লাইট অ্যান্ড রেইনবো’ শিরোনামে আর্কেশিয়ার সুবর্ণ-জয়ন্তী উত্সব অনুষ্ঠিত হয় হাতিরঝিল এম্ফিথিয়েটারে।
বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট (বাস্থই) আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী ‘আর্কেশিয়া ফোরাম ২০ ঢাকা ১৯’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের চতুর্থ দিন গত ৬ নভেম্বর রাতে ২১টি সদস্য দেশের সভাপতি এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী স্থপতিরা এ উত্সব উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এশীয় স্থপতিদের সবচেয়ে বড় মিলনমেলা প্রতিবছর সদস্য দেশগুলোর আয়োজনে ‘আর্কেশিয়া ফোরাম’ সম্মেলন উপলক্ষে হয়ে থাকে। ২০১৯ সালে এ অনুষ্ঠান ঢাকায় আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট (বাস্থই)। একই সঙ্গে এ বছর সংগঠনটির সুবর্ণ-জয়ন্তী উপস্থিত হওয়ায় এটি আরো উত্সবমুখর হয়েছে।
ঐ রাতে নগরীর হাতিরঝিলে এক নান্দনিক ও নাটকীয় পরিবেশনায় এশীয় স্থপতিদের সংগঠনটির ৫০ বছরের যাত্রা উদযাপিত হয়। আর্কেশিয়ার ৫০ বছর ও ২১টি সদস্য দেশের সম্মানে ‘সুবর্ণতটে :অফ লাইট অ্যান্ড রেইনবো’ শিরোনামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটির মূল প্রতীক ছিল ৫০ এবং ২১ সংখ্যা দুটি।
৫০ জন ঢাকী ও লেকের পানিতে ২১টি চলমান নৌকা বিদেশি অতিথিদের সামনে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে মূর্ত করে তোলে। এরপর ২১টি পায়রা ও ৫০টি বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সদস্য দেশের সভাপতিরা। মেয়র আতিকুল ইসলাম আর্কেশিয়া প্রেসিডেন্ট রিটা সোহকে সঙ্গে নিয়ে সুবর্ণ-জয়ন্তীর কেক কাটেন। মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশনাসহ পুরো আয়োজনের বর্ণাঢ্য উজ্জ্বল সমাপ্তি টানা হয় লেজার ও আতশবাজি পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
সুবণ-জয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক স্থপতি কাজী মো. আরিফ বলেন, ‘১৯৬৯ সালে গঠিত হওয়ার পর থেকে এশিয়ার বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃৃতিক, অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্থপতিদের সহযোগিতার মঞ্চ হিসেবে আর্কেশিয়ার সুবর্ণ-জয়ন্তী আমাদের দেশে আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত।’