নাগপুর থেকে বাংলাদেশ দলের টেস্ট খেলোয়াড়রা গতকাল চলে এলেন মধ্য প্রদেশের শহর ইন্দোরে। এখানে আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে।
ইন্দোর শহরটিকে বলা হয় শিক্ষার শহর। অবশ্য এই নতুন জায়গার সৌন্দর্য বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা কতোটা উপভোগ করতে পারবেন, সে নিয়ে সন্দেহ আছে। কারণ, এই নতুন জায়গায় আসার সময় তাদের সঙ্গী হয়েছে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের হারের হতাশা। সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচে প্রবল লড়াই করেও ভারতের বিপক্ষে ৩০ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ভারতকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিলো বাংলাদেশ দলই। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালকে ছাড়াই তরুণ বাংলাদেশ দল চমকে দিয়েছিল স্বাগতিকদের। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে সমতা ফেরায় ভারত। আর শেষ ম্যাচটা হয়ে উঠেছিল তাই অলিখিত ফাইনাল।
শেষ ম্যাচে টসে জিতে ভারতকে আগে ব্যাটে পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মেডেনেসহ রোহিত শর্মার উইকেট তুলে নিয়ে দারুণ শুরু করেন শফিউল ইসলাম। কিন্তু এক রানেই জীবন পাওয়া শ্রেয়াশ আয়ার ও লোকেশ রাহুল বাংলাদেশের বোলিংকে ম্লান করে দেন। ভারত শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৭৪ রান করে। শ্রেয়াশ ৬২ ও রাহুল ৫২ রান করেন। বিশাল এই রান তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। ১২ রানেই ফিরে আসেন লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। এরপর বাংলাদেশকে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেন নাঈম শেখ ও মোহাম্মদ মিঠুন। মিঠুন ২৯ বলে ২৭ রান করেন। এরপর এক প্রান্তে শুরু হয় ধস। মুশফিক, রিয়াদ, আফিফ, আমিনুলরা কেউ দুই অংকে যেতে পারেননি। অন্য প্রান্তে একা লড়াই চালিয়ে গেছেন নাঈম।
শেষ পর্যন্ত ১৬তম ওভারে নাঈম আউট হওয়ার আগে ৪৮ বলে ৮১ রানের দুরন্ত এক ইনিংস খেলে ফেরেন। তার এই ইনিংসে ১০টি চার ও ২টি ছক্কা ছিল।
বাংলাদেশ শেষ ওভারে এসে অলআউটই হয়ে যায়। সবমিলিয়ে করতে পারে তারা ১৪৪ রান।