ঢাকার রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরারের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে রবিবার বিকালে পুনরায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুর গ্রামের বাড়িতে একই কবরে দাফন করা হয়। ময়নাতদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে গতকাল সোমবার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সা কর্মকর্তা (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, তার তদারকিতে হাসপাতালের জরুরি চিকিত্সা কর্মকর্তা (ইএমও) মাসুদুর রহমান ও চিকিত্সক ফাহিমা খানম লাশের ময়নাতদন্ত করেন। আগামী দু-একদিনের মধ্যে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে।
জানা যায়, রবিবার ময়নাতদন্ত চলাকালে হাসপাতালে নাইমুল আবরারের চাচাতো ভাই শাহদাত হোসেনসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। ময়নাতদন্ত শেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে লাশ হস্তান্তর করে। পরে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তার লাশ একই কবরে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, ১ নভেম্বর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের মাঠে দৈনিক প্রথম আলোর কিশোর আলোর বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে নাইমুল আবরার মারা যায়। পরদিন ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার লাশ সোনাইমুড়ীর ধন্যপুর গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় গত ৬ নভেম্বর নাইমুলের বাবা মো. মজিবুর রহমান বাদী হয়ে ঢাকার আদালতে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে নাইমুলের মরদেহ কবর থেকে দ্রুত উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।