‘জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের’ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নোটিশ পেয়ে তিনি গতকাল সোমবার দুদকে যান। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করেন।
তৌফিক ইমরোজ খালিদী বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে আমার যেহেতু মালিকানা ছিল, সেটার একটা অংশ বিক্রি করেছি। সেটা থেকে আমার অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা এসেছে। গত ৩ অক্টোবর সব কাগজপত্র সই করা হয়েছে, ৬ অক্টোবর আমার অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে। আমি আমার শেয়ার বিক্রি করেছি, এটা আমার অধিকার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের এই টাকার যে আয়কর হবে, আমি সেটা দেব।’ বিডিনিউজে বিনিয়োগকারী এলআর গ্লোবাল বিএসইসি কর্তৃক পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ, তারা বিনিয়োগ করতে পারে কি না প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা এসইসিকে জিজ্ঞেস করতে হবে। আমি জানি না এসইসি কর্তৃক নিষিদ্ধ কি না।’
পদ্মা ব্যাংকের এমডির কাছে অর্থ দাবি করেছিলেন, এমন একটা গুঞ্জনের ব্যাপারে বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক বলেন, ‘গুঞ্জন নিয়ে তো আমি কোনো কথা বলব না। পদ্মা ব্যাংকের বিষয়ে একজন ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে বলে আমি শুনেছি। পদ্মা ব্যাংকের এমডিকে আমি চিনি না, তার নামও আমি জানি না। জানার চেষ্টাও করি না।’
উল্লেখ্য, দুদকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য সময় চেয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি কমিশনে আবেদন করেন। তারপরও তিনি গতকাল দুদক কার্যালয়ে হাজির হন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি সময় চেয়ে আবেদন করেছিলাম, কিন্তু তারা আনুষ্ঠানিক কোনো উত্তর দেননি। আমি নিয়ম মানতে চেয়েছি। তবে কিছুক্ষণ আগে তদন্তকারী কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন পরিচালক জানিয়েছেন যে আজকে বক্তব্য নেওয়া হবে না।’
অপর দিকে দুদকের মুখপাত্র প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, গত বৃহস্পতিবার অনুসন্ধান কর্মকর্তা তার আবেদনটি গ্রহণ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরে তারিখ জানানো হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তারপরও কেন তিনি হাজির হয়েছেন তা বোধগম্য নয়।