জাতীয় ক্রিকেট লিগ-২য় স্তর

শীর্ষে উঠল সিলেট

স্পোর্টস রিপোর্টার

বরিশালে স্বাগতিকদের সঙ্গে চট্টগ্রামের খেলা প্রথম তিন দিন মাঠে গড়ায়নি। ফলে গতকাল ছিল আনুষ্ঠানিকতা। অন্য দিকে রাজশাহীতে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে সিলেটের ম্যাচ শুরু থেকেই খেলা হয়েছে। গতকাল শেষ দিনে সিলেট ৩৫৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করেছিল। ৪ উইকেটে তারা ১৮৭ রান তোলার পরদিনের খেলা শেষ হয়। এই ম্যাচের পর ২৬.৫৫ পয়েন্ট নিয়ে ঢাকা মেট্রোকে টপকে দ্বিতীয় স্তরের শীর্ষে উঠে এসেছে সিলেট।

ঢাকা মেট্রো প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ৩১১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছিল। সেঞ্চুরি করেছিলেন সামসুর রহমান শুভ। জবাবে সিলেট ৩৫১ রান করে অলআউট হয়েছিল অভিষিক্ত উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অমিত হাসান সেঞ্চুরি করেছিলেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে ঢাকা মেট্রো ৬ উইকেটে ৩৯৫ রান তুলে আবারও ইনিংস ঘোষণা করে। এবার সেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক মার্শাল আইয়ুব। সামসুর রহমান এই ইনিংসে ৩৭ রান করে আউট হন। অন্য দিকে ওপেনার আজমির আহমেদ ৮০ রান করেন। সিলেটের সামনে জয়ের জন্য ৩৫৬ রানের লক্ষ্য দাড়ায়। শেষ দিনের এই সময়ে এই রান আর পাড়ি দেওয়া সম্ভবন ছিল না। তারা ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তুলতে পারে খেলা শেষ হওয়ার আগে। তৌফিক ও শাহানাজ ফিফটি পার করেন। বরিশাল ও চট্টগ্রাম ম্যাচে প্রথম তিন দিন কোনো খেলা হয়নি। গতকাল দুই দল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে মাঠে নামে। আগে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ৭০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে বরিশাল। জবাবে দিনের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত বিনা উইকেটে ৪৫ রান করে চট্টগ্রাম।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:ঢাকা মেট্রো—সিলেট

ঢাকা মেট্রো-১ম ইনিংস: ৮৩.৫ ওভারে ৩১১/৮ ডিক্লেয়ার

এবং ২য় ইনিংস: ১০১ ওভারে ৩৯৫/৬ ডিক্লেয়ার (মার্শাল ১৬৩, আজমির ৮০, সামসুর ৩৭, জাবিদ ৩০; অলক ২/৫৯, এনাম জুনিয়র ২/১১৪)।

সিলেট-১ম ইনিংস: ১০১.৩ ওভারে ৩৫১/১০

এবং ২য় ইনিংস: ৪৯ ওভারে ১৮৭/৪ (তৌফিক ৭৫, শাহানাজ ৬১, গালিব ২৩*; তাসকিন ৩/২৪)।

ফল: ম্যাচ ড্র

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: অমিত হাসান

বরিশাল—চট্টগ্রাম

বরিশাল-১ম ইনিংস: ১৩ ওভারে ৭০/৩ ডিক্লেয়ার (সোহাগ ৪৪, সায়েম ২১; ইফরান ২/১৩)

চট্টগ্রাম-১ম ইনিংস: ৬ ওভারে ৪৫/০ (পিনাক ৩০)

ফল: ম্যাচ ড্র।