শায়েস্তাগঞ্জে ব্যস্তসময় পার করছেন লেপ-তোশকের কারিগররা

 শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রত্যন্ত পল্লি থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন এলাকাতেও লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্তসময় পার করছেন সেখানকার কারিগররা। একই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ব্যবসায়ীরা লেপ-তোশক মজুত করে রেখেছেন বিক্রির জন্য।

উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি থেকে শায়েস্তাগঞ্জে শীত নামতে শুরু করেছে। আগাম শীতের কারণে লেপ-তোশক বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় বেজায় খুশি ধুনকর আর গরম কাপড় ব্যবসায়ীরা। তেপ-তোশক তৈরির জন্য অগ্রিম বায়নাও নিচ্ছেন কোনো কোনো কারিগর।

গত কয়েকদিন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শায়েস্তাগঞ্জ দাউদনগর বাজার, পুরানবাজার, সুতাংবাজার ও আলীগঞ্জ বাজারে লেপ-তোশক তৈরির কারিগরদের ব্যস্ততা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

শায়েস্তাগঞ্জ পুরান বাজারের লেপ-তোশক তৈরির দোকান ‘আম্মাজান’ বেডিং স্টোরের মালিক মো. কামাল উদ্দিন জানান, এরই মধ্যে ক্রেতারা নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের জন্য লেপ-তোশক, বালিশসহ শীতবস্ত্র সংগ্রহ করছেন সাধ্যমতো।

লেপ-তোশক তৈরির কাঁচামাল ও লেপ-তোশকের বর্তমান মূল্য বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ পুরান বাজারের ব্যবসায়ী ‘জবরু মিয়া বেডিং স্টোরের’ মালিক মো. জবরু মিয়া বলেন, লেপ-তোশক তৈরির কাঁচামাল তুলা ও কাপড়ের দাম একটু চড়া। এবার চাহিদা বেশি।

শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরের দাউদনগর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মো. জয়নাল মিয়া জানান, একটি লেপ বানাতে গত বছরের চেয়ে এবার ২০০/৩০০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। অন্যদিকে লেপ তৈরির জন্য অগ্রিম টাকা দিতে দোকানে আসা ক্রেতা মতিন মিয়া বলেন, আর কয়েক দিন পর লেপ-তোশকের কারিগররা বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। লেপ-তোশক তৈরির কাঁচামালের মূল্যও বৃদ্ধি পেতে পারে তাই, আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।