ছিনতাই মামলায় আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালত শেখ রাজিয়া সুলতানার আদালত এ রায় প্রদান করে। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জাসমীন আহমেদ এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আদালতে উপস্থিত ছিলেন সোহেল, জালাল, লোকমান, শের আলী ও মোকশেদ। বাকি তিন জন পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন আল আমিন, জাহাঙ্গীর ও আলমগীর।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মো. আরিফুল আলম ২০০৭ সালের ৩ ডিসেম্বর সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে কিস্তি ও সঞ্চয়ের টাকা উত্তোলন করে বাইসাইকেলযোগে আড়াইহাজারের বিশনন্দী মানিকপুর এলাকা থেকে অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে জাঙ্গালিয়া উচিতপুরা সড়কের কুটিবাড়ী ও বালাপুরের মাঝখানে তাদের গতিরোধ করে মারপিট করে সঙ্গে থাকা টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মো. আরিফুল আলমের বর্ণনা অনুযায়ী আসামিদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। সেই সঙ্গে পলাতক আসামিদের জড়িত থাকার কথাও তারা স্বীকার করেন।
অজ্ঞান করে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা সদরে ব্যবসায়ীকে অজ্ঞান করে নগদ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা। মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে উপজেলা সদরের ঢাকা ব্যাংক কার্যালয় এলাকায়। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি উপজেলার আখড়পাড়া গ্রামের মৃত সুবেদ আলী ওরফে শুবার ছেলে রতন (৫০)। জানা গেছে, ঐ সময় তিনি ঢাকা ব্যাংকের আড়াইহাজার শাখা থেকে ৭০ হাজার টাকা তোলেন। তিনি টাকা তুলে ব্যাংক কার্যালয়ের নিচে আসা মাত্র কয়েকজন লোক তাকে ঘিরে ধরে এবং একটি লবণের পুটলি তার নাকের কাছে ধরে। এ সময় তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলে ঐ লোকজন তার কাছ থেকে টাকাগুলো নিয়ে দ্রুত চলে যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা:হাবিব ইসমাইল ভুইয়া ঘটনা নিশ্চিত করেন।