ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে আশঙ্কার চেয়ে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে। আপনি কি মনে করেন যে আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেছি? জানতে চাওয়া হয়েছিল পাঠকদের কাছে। ইমেইল এবং টেলিফোনে পাঠকের দেওয়া প্রতিক্রিয়া আজ প্রকাশ করা হলো
দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা আগের থেকে বেড়েছে বলে মনে হচ্ছে। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিভিন্ন সেবা দানকারী সংস্থাগুলোর (ইউডিএমসি, উপজেলা প্রশাসন) সরাসরি যোগসূত্রের ফলে অতীতের তুলনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। সম্প্রতি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাত থেকে বাঁচতে কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবীদের প্রাথমিক সতর্কতা, আশ্রয় ব্যবস্থাপনা, অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ সহায়তা দ্রুত দেওয়ার ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হয়েছে। তবে, ভবিষ্যতে ভয়াবহ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং মোকাবিলায় গণমাধ্যমসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
অমিত বণিক
মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক, উত্তরা, ঢাকা।
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সীমিত এবং তা হওয়ার কারণ সরকারের সফল উদ্যোগ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সুশৃঙ্খল প্রচারণা এবং জনগণের সচেতনতা। এখানে ডিজিটাল বাংলাদেশের ভূমিকা বিরাট অবদান রেখেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সঙ্গে ফেসবুক ম্যাসেজ এবং মোবাইল যোগাযোগ মানুষকে সতর্কতার ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
মাখরাজ খান,
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ।
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষয়ক্ষতি জানমাল, সম্পদ রক্ষায় সব ধরনের প্রস্তুতির জন্য সরকার প্রশংসার দাবিদার । অন্যদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা তাদের স্ব-স্ব দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডব থেকে এবার আমাদের দেশ অনেক বড়ো ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে একথা সত্য। তাই আবারও বলব দুর্যোগ ব্যবস্থায় সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে।
মো. সিকান্দার আলী সাগর
কনকর্ড টাওয়ার, শান্তিনগর, ঢাকা।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বেড়েছে— এবার ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাত তার প্রমাণ করেছে। যদিও সরকারের এখন করণীয় সেগুলোর প্রতি নজর দিতে হবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সেনিটেশন, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের সুরক্ষা। ঝড়, জলোচ্ছ্বাসের সাহায্য প্রদানের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে হবে। সাহায্য-সহযোগিতার বিষয়টি স্বচ্ছতার সাথে করার বিষয়ে নির্দেশনা থাকতে হবে।
মো. শহীদুল ইসলাম রয়েল
নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া।
ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতের আশঙ্কার চেয়ে ক্ষয়ক্ষতি অবশ্যই কম হয়েছে। এটা কোনোভাবে অস্বীকার করার নয়। বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলায় সক্ষমতা বেড়েছে এটা সত্য। এবার সুন্দরবনের ওপর দিয়ে উড়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। এই সাইক্লোন প্রথম ভারতের অংশে সুন্দরবনের আঘাতে বাধা পায়। ফলে বুলবুল দুর্বল হয়ে পড়ে। অন্যদিকে সরকারের প্রস্তুতি ছিল প্রশংসনীয়। প্রশাসনের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগে ছিল ছুটি বাতিল। ফলে প্রতিটি কার্যক্রম হয়েছে দ্রুততার সাথে এবং দায়িত্বশীলের মধ্যে।
সুগন্ধী আক্তার
মতিঝিল, ঢাকা।
আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী উড়িরচরে এসে কয়েক লক্ষ লোকের আশ্রয়ের জন্য, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। এরপর প্রতি বছরই আমাদের দেশে এভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরার বাসিন্দারা আইলার ক্ষতচিহ্ন এখনো মুছতে পারে নাই। ‘বুলবুলের’ আসার আগাম বার্তা পাওয়ায় যে পরিমাণ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল সে অনুপাতে ক্ষতি সামান্য বলে প্রতীয়মান হয়। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার ঢাল হিসেবে সুন্দরবন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। যে কটি প্রাণহানি ঘটেছে তারা আশ্রয়কেন্দ্রে না আসার কারণে। বুলবুল-এর ব্যাপারে সরকার যথেষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন বলেই প্রাণহানি কম হয়েছে, তবে ক্ষেতের ফসল ও মত্স্য খামারের ক্ষতি হয়েছে প্রচুর। সরকারের এই প্রস্তুতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
খন্দকার কামরুজ্জামান,
৩৬৩/১০, উত্তর পীরের বাগ, মিরপুর, ঢাকা।
দুর্যোগ মোকাবিলায় বিগত কয়েক দশকে বাংলাদেশ বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশে ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্ব্বরের ‘গোর্কি’ নামের ঘূর্ণিঝড়ে উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারান। ভেসে যায় লাখ লাখ গবাদিপশু ও আবাদি ফসল । ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়টি প্রায় ১.৩৮ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। এ ছাড়া ১ কোটি মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১০ লাখ ঘর-বাড়ি। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্ব্বর ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’-এ সাড়ে ৩ হাজার মানুষ মারা যায়। উপরোক্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিগত তিন চার দশক আগে এ ধরনের দুর্যোগে যেখানে লাখ লাখ লোক মারা যেত, সেখানে দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতার কারণে এখন প্রাণহানির সংখ্যা খুবই হাতেগোনা কয়েকজন। দুর্যোগ মোকাবিলায় মানুষের সচেতনতা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, ঠিক তেমনিভাবে দুর্যোগ মোকাবিলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দুর্যোগ প্রস্তুতির তথ্যও দ্রুত সবার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে যা বাংলাদেশের জন্য একটি বড়ো সাফল্য।
মো. জিল্লুর রহমান
সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা।
দুর্যোগ ব্যবস্থায় সক্ষমতা বেড়েছে এটা সত্য। যার ফলাফল এবার সম্প্রতি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতের আশঙ্কার চেয়ে ক্ষয়ক্ষতি কম, এটা প্রতীয়মান হয়েছে। দুর্যোগ এলাকাগুলোতে দ্রুত প্রশাসনের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্রে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সরিয়ে নিতে লক্ষ্য করা গেছে। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সক্রিয় ছিলেন। ১০ নম্বর মহাবিপদসংকেত শেষ পর্যন্ত বুলবুল তার ভয়ংকর আক্রমণ হামলা করে সফল হতে পারে নাই। আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সরকারপ্রধানকে সে জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
বুলবুলের তাণ্ডবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ভোলা, বরগুনাসহ উপকূলীয় জেলাগুলোর ঘরবাড়ি, গাছপালা, বেড়িবাঁধ, সড়ক ও স্কুলের ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে। সুন্দরবনের অনেক গাছ ভেঙে গেছে। তবে সুন্দরবনের অনেক বড়ো অবদান রয়েছে এ বুলবুলের ক্ষতিগ্রস্ত থেকে রেহাই পেতে। সবচেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে, প্রশাসনের যথেষ্ট দায়িত্ব-কর্তব্যপরায়ণের বিষয়ে লক্ষ্য করা গেছে। এবার নতুন করে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘পবন’। সুতরাং সে ব্যাপারেও এখন থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছি।
মো. মামুন
বংশাল, ঢাকা
ঝড়, বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের নিত্য সঙ্গী। ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় তদানিন্তন পাকিস্তান সরকার ব্যর্থ হওয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে কাল পরিক্রমায় নিজে দেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম করে ছেড়েছেন। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজন্ম এসব দুর্যোগ প্রত্যক্ষপূর্বক কী করে তা নিয়ন্ত্রণ করে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করা যায় তা ভালোই রপ্ত করে নিয়েছেন। ফলে তার সুদীর্ঘ শাসনামালে অনেক প্রাকৃতিক দুর্যোগ অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রচুর সুনাম কুড়িয়েছেন। সম্প্রতিক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলির ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।
ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
মাইশা এফ হাইজ, ঢাকা।
অতি সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাত মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ আগেই দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের ছুটি বাতিল, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা পেছানোসহ ত্রাণ ও দুর্যোগসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দফতরগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য। এর ফলও আমরা পেয়ে গিয়েছি! ভবিষ্যতেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ হতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছি আমি।
মোছা. বিলকিছ আক্তার
সরকারি ম্যাটস ও ছাত্রীনিবাস, টাঙ্গাইল।
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এবং সাম্প্রতিককালের আরো কিছু ঘূর্ণিঝড়ে সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কারণে ক্ষয়ক্ষতি কম হওয়া থেকে যে বিষয়টি স্পষ্ট তা হলো, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আসলেই এগিয়েছে। একটা সময় ঘূর্ণিঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানেই ছিল ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের বিশাল ক্ষয়ক্ষতি। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ ব্যবহারের ফলে দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ রোল মডেলের স্থানও পাচ্ছে অনেক দেশের কাছে। তবে এ ব্যাপারে আত্মতৃপ্তি নয়, নিজেদের ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের আরো সতর্ক হতে হবে।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
দুর্যোগ ব্যবস্থায় সক্ষমতা অবশ্যই এসেছে। তারই প্রমাণ এবার ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাত। যদিও ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে উপকূলে এবার ১৬ কোটি ২২ হাজার ৮৩৬ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে করে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২৬৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৫০ হাজার কৃষক।
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে অনেক স্কুল-ঘর ভেঙে পড়েছে। দুর্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরবর্তী করণীয় বিষয় হচ্ছে বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও সংস্থাগুলোর অবশ্যই এগিয়ে আসা দরকার। শুধু সরকারের প্রশাসনের প্রতিনিধিগণ এগিয়ে আসবে তা নয়। অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিদের এ ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান
সম্পাদক ও প্রকাশক
তারা নিউজ বিডি ডট কম
পুরানা পল্টন, ঢাকা
প্রকৃতি থেকেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ। মহান সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির মাঝেই প্রাকৃতিক ভয়াবহ সব দুর্যোগ মোকাবিলার সুযোগ সৃষ্টি করে রেখেছেন। প্রলয়ংকরী কালবৈশাখী, ঘূর্ণিঝড়, সিডর, আইলা, হারিকেন ফনী, নার্গিস, বুলবুল ইত্যাদি। প্রকৃতির মাঝে ইকো সিস্টেমের এক স্বাভাবিক ঘটনা। যে প্রকৃতি আমাদের রক্ষা করে সে প্রকৃতি ধ্বংসের খেলায় মেতেছি আমরা। যত ধ্বংস হচ্ছে প্রকৃতি, ততই নতুন নতুন নামের দুর্যোগের কবলে পড়ছি আমরা। প্রকৃতির আধার সুন্দরবন, বারবার ভয়াবহ সব দুর্যোগে নিজেকে উত্সর্গ করে আমাদের রক্ষা করে। মনে রাখতে হবে প্রকৃতিই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্রষ্টার এক অনন্য অবদান। আরো মনে রাখতে হবে, কৃত্রিম উপায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা সব সময় প্রযোজ্য নয়। তাই এসো সবাই মিলে প্রকৃতি রক্ষা করি, দুর্যোগ থেকে বাঁচি।
মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক নাছিম
নির্বাহী পরিচালক, স্বাধীন জীবন
চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ