আগামী ১ সপ্তাহ দেশের বাইরে থাকব। আজ অফিসে ভীষণ ব্যস্ততায় কেটেছে। একের পর এক ফাইল, এতজন ক্লায়েন্ট... উফফ্। সারাদিনে প্রায় ২০ কোটি টাকার ডিল সাইন করেছি।
অফিস টাইম শেষে, স্টাফদের নিয়ে মিটিংয়ে বসেছি। কয়েকজনকে কড়া ভাষায় কিছু ঝাড়ি দিয়ে মিটিং শুরু এরপর সবাইকে আগামী ১ সপ্তাহের ওয়ার্কপ্ল্যান বুঝিয়ে দিলাম কবে, কখন, কাকে, কী কী কাজ করতে হবে। মিটিং শেষ ড্রাইভারকে ফোন দিলাম। ওয়েদার ঠান্ডা থাকায় ড্রাইভারকে বললাম, এসিটা বন্ধ করে গ্লাসটা নামিয়ে দিতে।
বাসায় পৌঁছে লিফটে ১৯ তলায় নামা মাত্রই বউয়ের ফোন, ‘কী জনাব! এখনো ফিরছেন না যে! সেই কখন থেকে বসে আছি।’
‘আজকেও ফিরতে অনেক রাত হবে,’ বলতে বলতে দড়জায় দাঁড়িয়ে কলিং বেল চাপলাম। বউ দড়জা খুলে সারপ্রাইজড হয়ে মিষ্টি চেহারায় একটু রাগান্বিত ভাব আনল। ক্লান্ত বুকে জড়িয়ে ধরে বউয়ের প্রশস্ত কপালে চুমু এঁকে দিলাম। বউ হাত থেকে স্যুটকেসটা সোফার ওপর রেখে, কোটটা খুলতে খুলতে বলছে, ‘তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নাও, আজকে তোমার জন্য স্পেশাল ডিনারের...’
‘ও... হ্যাঁ... হ্যাঁ, ডিনার।’
লুঙ্গির গিঁটটা শক্ত করে বাঁধতে বাঁধতে ডাইনিংয়ে যাচ্ছি ডিনার করতে। দেড় প্লেট ভাত, ২ টুকরা আলু আর ১ টুকরা মাইক্রোস্কোপিক সাইজের পোল্ট্রি মুরগির মাংস...!
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়