রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সিলেট আগমনের শতবর্ষ

কমলগঞ্জে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে সিলেটে বেড়াতে আসেন। কুলাউড়া, সিলেট ও মণিপুরিদের হস্তশিল্প ও এর কারুকাজ দেখে অভিভূত হন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সিলেট আগমনের শতবর্ষ পূর্তিতে গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় কমলগঞ্জে আম্বিয়া কেজি স্কুলের আয়োজনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যদিয়ে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। মো. সালাহউদ্দীনের সভাপতিত্ব ও সাংবাদিক সাব্বির এলাহীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞানী ড. সেলু বাসিত।  মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ আলমগীর।

প্রধান অতিথি ড. সেলু বাসিত বলেন, ইতিহাস থেকে জানা গেছে ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে রবীন্দ্রনাথ শ্রীহট্ট তথা সিলেট ভ্রমণে আসেন। এই শ্রীহট্ট কবির সান্নিধ্যে ধন্য হয়েছে যেমন তেমনি কবির সৃজনশীলতায় সমৃদ্ধ হয়েছে এই প্রকৃতি, নিসর্গ, এই জনমানুষ আর প্রান্তিক সামাজিক বাস্তবতার জীবন বিন্যাস, আর্থিক ও জমি ব্যবস্থাপনার পল্লী কাঠামোর নৈকট্য বিবেচনায়।

তিনি আরো বলেন, সিলেটের প্রশাসনিক কারণে ব্রিটিশ ভারতে আত্মপরিচয় সংকট উত্তরণে রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণ ছিল শ্রীহট্টবাসীদের জন্য এক প্রেরণা।

মুখ্য আলোচক ড. মুহম্মদ আলমগীর বলেন, নিজেদের প্রয়োজনেই রবীন্দ্র কাব্য, সাহিত্য অধ্যয়ন করা প্রয়োজন। আমরা যেখানে আটকে পড়ি সেখানেই রবীন্দ্র কাব্য-সাহিত্য আমাদের সহযোগিতা ও নিজেদের জ্ঞানের পথ প্রশস্ত করে দেয়।