এই ব্রাজিলের প্রতি কনমেবলের ‘পক্ষপাত’-এর সমালোচনা করেই তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। নির্বাসন শেষে যখন ফিরলেন, প্রতিপক্ষ হিসেবে পেলেন সেই ব্রাজিলকেই। গত শুক্রবার দলের একমাত্র গোলটিও এলো তার পা থেকে। ম্যাচ শেষে জানালেন, ব্রাজিলের বিপক্ষে যে কোনো জয়ই দারুণ তৃপ্তি দেয় তাকে।
ব্রাজিলের বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের শেষ জয়টা এসেছিল ২০১৭ সালে। সাবেক কোচ হোর্হে সাম্পাওলির আর্জেন্টিনার দায়িত্বে আসার পর প্রথম ম্যাচেই। এরপর থেকে প্রীতি ম্যাচ ও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ মিলিয়ে দুটি ম্যাচেই হেরেছিল লিওনেল মেসির দল।
দুই বছর পর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের বিপক্ষে জয়টা ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়টির কাছেও পাচ্ছে বাড়তি গুরুত্ব। তিনি বলেন, ‘এটা অমর এক দ্বৈরথ। আর ব্রাজিলকে হারানোটা সবসময়ই ভালো ব্যাপার।’
কোপা আমেরিকা জেতার পরে যেখানে ব্রাজিলে লেগেছে ভাটার টান, সেখানে আর্জেন্টিনার চিত্রটা পুরো ভিন্ন। টানা ছয় ম্যাচে অপরাজিত কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির শিষ্যরা। তার প্রথম পাঁচ ম্যাচে আবার নিষিদ্ধ থাকার কারণে ছিলেন না মেসি নিজেই। কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির অধীনে দলের এমন পারফর্মেন্সেরও প্রশংসা করলেন বার্সেলোনা অধিনায়ক।
মেসির ব্যাখ্যা, ‘জিততে হলে আপনাকে ভালো কাজ করেই জিততে হবে। কোচের ধারণাগুলো মাঠে দারুণভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে এবং এটা বেশ ইতিবাচক একটা দিক।’
আগামীকাল সোমবার উরুগুয়ের বিপক্ষে খেলবে দলটি। এরপর মার্চ থেকেই শুরু হবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক জানালেন এর আগে দারুণ ছন্দেই আছে তার দল। তিনি বলেন, ‘বাছাইপর্বের আগে আর খুব বেশি সময় বাকি নেই। বর্তমানে এখানে একটা ভালো দলের অনুভূতি বিরাজ করছে। রক্ষণাত্মকভাবে আমরা বড়ো চেষ্টাই করেছি।’