ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল চৌধুরী বলেছেন, প্রবেশন কর্মকর্তা ও শিশুবিষয়ক ডেস্কের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের শিশুদের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে। গতকাল ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘শিশু আইন-২০১৩ এর কার্যকর বাস্তবায়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মশালায় ঢাকা জেলার ৯টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও শিশু আদালতের জেলা জজ পদমর্যাদার বিচারকরা, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার, প্রবেশন কর্মকর্তা ও ঢাকার ২৫টি থানার শিশুবিষয়ক ডেস্কের দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা অংশ নেন। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, শিশু আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বাস্তবের অনেক সমস্যা হয়। সাধারণ জনগণের পাশাপাশি পুলিশের মাঠপর্যায়ের ঊর্ধ্বতন সদস্যদের শিশু আইনে দেওয়া শিশুদের অধিকার ও সুবিধাদি সম্পর্কে আরো বেশি জানানো ও সচেতন থাকা দরকার।
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদুল কবির বলেন, প্রবেশন কর্মকর্তাদের কাজের সুবিধার্থে সিএমএম কোর্টে দ্রুতই বসার ব্যবস্থা করা হবে। সভায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মো. আলমগীর হোসাইন শিশু আইনের প্রধান প্রধান বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে তা উপস্থাপন করেন। আইন মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফের ব্যবস্থাপনায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। আলোচনায় অংশ নেন আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শেখ হুমায়ুন কবিরসহ ইউনিসেফের শিশু আইন বিশেষজ্ঞরা।