বরিশালে শাকসবজির ব্যাপক ক্ষতি সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে আমনের পাশাপাশি শীতকালীন শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিরূপণ করা হলেও নিশ্চিত করে এখনো কোনো তালিকা করা সম্ভব হয়নি। বিভাগের ছয় জেলায় পানি নেমে যাওয়ার পর এই ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

দক্ষিণাঞ্চলের পাইকারি বাজারগুলোতে গত মাসের শেষের দিকে আগাম শীতকালীন শাকসবজির সরবরাহ বাড়তে পারে। গত বছর এ সময়ে যেসব সবজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে এবার ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তা দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এখানকার পাইকারি ও খুচরা বাজারে গিয়ে দেখা গেছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সবজি। এখানকার আড়তগুলোতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, মুলা, শালগুম, বেগুন আসছে বিভিন্ন জেলাগুলো থেকে। স্থানীয় জাতের শাকসবজি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় যশোর, সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা এসব সবজির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বরিশালের স্থানীয় জাতের শাকসবজি বিনষ্ট হয়ে যাওয়ায় সংকট দেখা দেয়। এতে করে অন্য জেলা থেকে আসা সবজি কেজি প্রতি ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। সবজির বাইরে ধনেপাতা, কাঁচা টম্যাটো, পালংশাক, লাউশাক, লালশাকসহ শীতকালীন বিভিন্ন শাক সামান্য পরিমাণ আসলেও তা বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

নগরীর কাঁচামালের পাইকারি বাজার সিটি মার্কেট, বাজার রোড, পোর্টরোডের বাজারগুলো ঘুরে গতকাল দেখা গেছে শীতকালীন শাকসবজির সরবরাহ কিছুটা কমেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জ ঘুরে পাইকার ফড়িয়ারা এসব সবজি এনে আড়তগুলোতে বিক্রি করেন। গতকাল এখানকার বাজারে প্রতি কেজি  ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ৮৫ টাকা থেকে ৯০ টাকায়, শিম ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ৫০ টাকা, সালগম প্রতি কেজি ৭০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ টাকার ওপরে বিক্রি করছে। পাইকারি বাজারে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে কোনো পণ্য সর্বনিম্ন পাঁচ কেজির নিচে বিক্রি করেন না।